ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

ভোলায় এই মসজিদটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকা খরচ! ৫২ হাজার শ্রমিক কাজ করেছেন

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ জেলা ভোলায় নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত নয়নজুড়ানো স্থাপনা নিজাম-হাসিনা মসজিদ। এটি নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মিত।

ভোলা শহরের উকিল পাড়ায় প্রায় দেড় একর জমির ওপর এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার জুমআর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এ মসজিদটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন দামি পাথর ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্জ দ্বারা নির্মিত দুই তলা বিশিষ্ট এ মসজিদে রয়েছে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা অজুখানা এবং নামাজের স্থান।

২০১০ সালের জুন মাস থেকে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় ৫২ হাজার শ্রমিক মসজিদ নির্মাণের কাজে অংশ গ্রহণ করেছেন। আর্কিটেক্ট ফোরামের ডিজাইনার কামরুজ্জামান লিটন মসজিদটির দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করেন।

মসজিদের স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জান লিটন জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্র উকিলপাড়ায় চার গম্বুজ বিশিষ্ট আধুনিক দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০১০ সালের ১ জুন দেড় একর জমির ওপর শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২৯ ডিসেম্বর। মসজিদে ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুইটি মিনারা রয়েছে। রয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। মসজিদের দুই পাশে আল্লাহু লেখা সম্বলিত দুইটি ফোয়ারা রয়েছে। মসজিদের চারিকে রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত ফুলের বাগান। এ ছাড়া নারীদের জন্য নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। নারীদের জন্য দুইটি অজুখানাসহ ৩২টি অজুখানা এবং দুইটি টয়লেটসহ ১০টি টয়লেট রয়েছে।

মুসলিম পাঠকদের জন্য একটি ইসলামী লাইব্রেরি ও একটি আধুনিক হিফজখানা স্থাপন করা হয়েছে। ইতকাফকারীদের জন্য একটি গোসলখানা রয়েছে। দরজা রয়েছে তিনটি। গেইট রয়েছে দুইটি। খতিব, ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের জন্য দুইটি কক্ষ রয়েছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের জন্য রয়েছে অফিস।

মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে রাতে আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়েছে। অন্তত আড়াই শ মুসল্লি এ মসজিদে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানান স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জামান লিটন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি নির্মাণে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন মসজিদের নির্মাতা নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ। তবে, অনেকের ধারণা মসজিদটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা

ভোলায় এই মসজিদটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকা খরচ! ৫২ হাজার শ্রমিক কাজ করেছেন

আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ জেলা ভোলায় নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত নয়নজুড়ানো স্থাপনা নিজাম-হাসিনা মসজিদ। এটি নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মিত।

ভোলা শহরের উকিল পাড়ায় প্রায় দেড় একর জমির ওপর এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার জুমআর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এ মসজিদটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন দামি পাথর ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্জ দ্বারা নির্মিত দুই তলা বিশিষ্ট এ মসজিদে রয়েছে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা অজুখানা এবং নামাজের স্থান।

২০১০ সালের জুন মাস থেকে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় ৫২ হাজার শ্রমিক মসজিদ নির্মাণের কাজে অংশ গ্রহণ করেছেন। আর্কিটেক্ট ফোরামের ডিজাইনার কামরুজ্জামান লিটন মসজিদটির দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করেন।

মসজিদের স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জান লিটন জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্র উকিলপাড়ায় চার গম্বুজ বিশিষ্ট আধুনিক দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০১০ সালের ১ জুন দেড় একর জমির ওপর শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২৯ ডিসেম্বর। মসজিদে ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুইটি মিনারা রয়েছে। রয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। মসজিদের দুই পাশে আল্লাহু লেখা সম্বলিত দুইটি ফোয়ারা রয়েছে। মসজিদের চারিকে রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত ফুলের বাগান। এ ছাড়া নারীদের জন্য নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। নারীদের জন্য দুইটি অজুখানাসহ ৩২টি অজুখানা এবং দুইটি টয়লেটসহ ১০টি টয়লেট রয়েছে।

মুসলিম পাঠকদের জন্য একটি ইসলামী লাইব্রেরি ও একটি আধুনিক হিফজখানা স্থাপন করা হয়েছে। ইতকাফকারীদের জন্য একটি গোসলখানা রয়েছে। দরজা রয়েছে তিনটি। গেইট রয়েছে দুইটি। খতিব, ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের জন্য দুইটি কক্ষ রয়েছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের জন্য রয়েছে অফিস।

মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে রাতে আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়েছে। অন্তত আড়াই শ মুসল্লি এ মসজিদে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানান স্থাপত্য প্রকৌশলী কামরুজ্জামান লিটন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি নির্মাণে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন মসজিদের নির্মাতা নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ। তবে, অনেকের ধারণা মসজিদটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হতে পারে।