ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।