ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।