ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মিয়ানমার গণহত্যা: ‘স্বচ্ছ ও বিস্তারিত’ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গণতন্ত্রকামীদের রক্তে রাঙা মিয়ানমার। নিজেদের দাবি আদায়ে বেয়নেটকেও পরোয়া করছে না দেশটির সাধারণ মানুষ। আর সেই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন থামাতে একের পর এক হত্যালীলা চালাচ্ছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের কায়াহ প্রদেশে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক গণহত্যার খবর। আর সেই ঘটনায় ‘বিস্তারিত ও স্বচ্ছ’ তদন্তের দাবি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়ল জাতিসংঘ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে মিয়ানমারের শাসনভার নিজের হাতে নেয় বার্মিজ সেনাবাহিনী। সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই অশান্ত মিয়ানমার। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও একদল প্রতিবাদীকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বার্মিজ সেনার। বেশ কয়েকটি মিলিশিয়া সেনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের দমন করতে নির্বিচারে হত্যালীলা চালাচ্ছে সেনা বলে অভিযোগ।

কায়াহ প্রদেশে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বিদ্রোহীরা। সেই প্রতিরোধ ভাঙতেই গত শুক্রবার রাতে এলোপাথারি গুলি চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রমাণ মুছে ফেলতে ৩০ জনের ম্প্রদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি তুলে ধরেছে মিয়ানমারের স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এরপর থেকেই মিয়ানমার সামরিক জান্তার উপর চাপ বাড়াচ্ছে জাতিসংঘ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকরতা বলেন, এই ঘটনা দেখে আমরা আতঙ্কিত। এর বিস্তারিত ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, সাধারণ জনতার উপর সকল ধরনের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। আমি মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি তারা যেন সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চত করে।

উল্লেখ্য, কায়াহ প্রদেশের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক হত্যালীলার অভিযোগ রয়েছে বার্মিজ সেনাদের বিরুদ্ধে।