ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাধুমধামে দুই গাছের বিয়ে, দেড় হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে মহাধুমধামে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীর খড়খড়ির শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির চত্বরে থাকা গাছ দু’টির বিয়ে সম্পন্ন করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

১৭ বছর আগে পাশাপাশি লাগানো হয়েছিল গাছ এই দুটি।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, পাশাপাশি বট-পাকুড় গাছ থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। এই রীতি মেনেই ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হলো গাছ দুটির। বটকে বর, পাকুড়কে কনে ধরে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বটের নাম রাখা হয় ‘বিজয়’। আর পাকুড় হয় ‘বনলতা’।

বিয়ের জন্য বট-পাকুড়সহ গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হয়। বিয়েতে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। দুপুরে সবাই খেয়েছেন। সারাদিন বাদ্য-বাজনার তালে নাচে-গানে মেতে উঠেছিলেন সবাই। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুরোহিত পুলক আচার্য বিকেলে শুরু করেন বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। গোধুলীলগ্নে সম্পন্ন হয় এই বিয়ে।

এই বিয়েতে বটের বাবা-মা হয়েছিলেন বিধান চন্দ্র সরকার ও আরতি রানী সরকার দম্পতি। বিশ্বজিৎ সরকার ও কনিকা রানী সরকার দম্পতি হন পাকুড়ের বাবা-মা।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সরকার জানান, ‘হিন্দুশাস্ত্রে আছে বট-পাকুড় একসঙ্গে থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। সে জন্যই এ আয়োজন। এ বিয়েতে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে দাওয়াত করা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাধুমধামে দুই গাছের বিয়ে, দেড় হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে মহাধুমধামে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীর খড়খড়ির শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির চত্বরে থাকা গাছ দু’টির বিয়ে সম্পন্ন করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

১৭ বছর আগে পাশাপাশি লাগানো হয়েছিল গাছ এই দুটি।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, পাশাপাশি বট-পাকুড় গাছ থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। এই রীতি মেনেই ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হলো গাছ দুটির। বটকে বর, পাকুড়কে কনে ধরে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বটের নাম রাখা হয় ‘বিজয়’। আর পাকুড় হয় ‘বনলতা’।

বিয়ের জন্য বট-পাকুড়সহ গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হয়। বিয়েতে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। দুপুরে সবাই খেয়েছেন। সারাদিন বাদ্য-বাজনার তালে নাচে-গানে মেতে উঠেছিলেন সবাই। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুরোহিত পুলক আচার্য বিকেলে শুরু করেন বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। গোধুলীলগ্নে সম্পন্ন হয় এই বিয়ে।

এই বিয়েতে বটের বাবা-মা হয়েছিলেন বিধান চন্দ্র সরকার ও আরতি রানী সরকার দম্পতি। বিশ্বজিৎ সরকার ও কনিকা রানী সরকার দম্পতি হন পাকুড়ের বাবা-মা।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সরকার জানান, ‘হিন্দুশাস্ত্রে আছে বট-পাকুড় একসঙ্গে থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। সে জন্যই এ আয়োজন। এ বিয়েতে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে দাওয়াত করা হয়েছিল।