ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন না হলে এমপিগিরি ছেড়ে দেব: ফজলুর রহমান পরের বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকেই আয় করতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন রাশিয়াকে আরও ৩০ হাজার সেনা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল : স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইবে ইসি নেত্রকোনায় নিজ ঘর থেকে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার প্রয়োজন হলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেব: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর

মহাধুমধামে দুই গাছের বিয়ে, দেড় হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে মহাধুমধামে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীর খড়খড়ির শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির চত্বরে থাকা গাছ দু’টির বিয়ে সম্পন্ন করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

১৭ বছর আগে পাশাপাশি লাগানো হয়েছিল গাছ এই দুটি।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, পাশাপাশি বট-পাকুড় গাছ থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। এই রীতি মেনেই ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হলো গাছ দুটির। বটকে বর, পাকুড়কে কনে ধরে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বটের নাম রাখা হয় ‘বিজয়’। আর পাকুড় হয় ‘বনলতা’।

বিয়ের জন্য বট-পাকুড়সহ গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হয়। বিয়েতে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। দুপুরে সবাই খেয়েছেন। সারাদিন বাদ্য-বাজনার তালে নাচে-গানে মেতে উঠেছিলেন সবাই। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুরোহিত পুলক আচার্য বিকেলে শুরু করেন বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। গোধুলীলগ্নে সম্পন্ন হয় এই বিয়ে।

এই বিয়েতে বটের বাবা-মা হয়েছিলেন বিধান চন্দ্র সরকার ও আরতি রানী সরকার দম্পতি। বিশ্বজিৎ সরকার ও কনিকা রানী সরকার দম্পতি হন পাকুড়ের বাবা-মা।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সরকার জানান, ‘হিন্দুশাস্ত্রে আছে বট-পাকুড় একসঙ্গে থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। সে জন্যই এ আয়োজন। এ বিয়েতে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে দাওয়াত করা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাসকিনের বদলি হিসেবে এলপিএলে হৃদয়

মহাধুমধামে দুই গাছের বিয়ে, দেড় হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে মহাধুমধামে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীর খড়খড়ির শ্রী শ্রী গোপালদেব ঠাকুর মন্দির চত্বরে থাকা গাছ দু’টির বিয়ে সম্পন্ন করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

১৭ বছর আগে পাশাপাশি লাগানো হয়েছিল গাছ এই দুটি।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, পাশাপাশি বট-পাকুড় গাছ থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। এই রীতি মেনেই ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হলো গাছ দুটির। বটকে বর, পাকুড়কে কনে ধরে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বটের নাম রাখা হয় ‘বিজয়’। আর পাকুড় হয় ‘বনলতা’।

বিয়ের জন্য বট-পাকুড়সহ গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হয়। বিয়েতে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। দুপুরে সবাই খেয়েছেন। সারাদিন বাদ্য-বাজনার তালে নাচে-গানে মেতে উঠেছিলেন সবাই। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুরোহিত পুলক আচার্য বিকেলে শুরু করেন বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। গোধুলীলগ্নে সম্পন্ন হয় এই বিয়ে।

এই বিয়েতে বটের বাবা-মা হয়েছিলেন বিধান চন্দ্র সরকার ও আরতি রানী সরকার দম্পতি। বিশ্বজিৎ সরকার ও কনিকা রানী সরকার দম্পতি হন পাকুড়ের বাবা-মা।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সরকার জানান, ‘হিন্দুশাস্ত্রে আছে বট-পাকুড় একসঙ্গে থাকলে তাদের বিয়ে দিতে হয়। সে জন্যই এ আয়োজন। এ বিয়েতে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে দাওয়াত করা হয়েছিল।