ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিজিটাল বাংলাদেশে তৈরি হবে বিশ্বমানের গাড়ি

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

দেশেই তৈরি হবে বিশ্বমানের গাড়ি। এর ফলে যেমন গাড়ির মূল্য সাশ্রয় হবে, তেমনি কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে সাধারণ মানুষের।

ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির মাধ্যমে এগিয়ে যাবে দেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে আরেক ধাপ।

সত্যিই তাই, এক যুগ আগেও যেখানে এমন স্বপ্ন আকাশ কুসুম কল্পনা ছিল, আজ তা ধরা দিচ্ছে বাস্তবে। দেশের বিভিন্ন হাই-টেক পার্কের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায়। আর তার রেশ ধরেই নিজেদের দেশেই তৈরি হবে উন্নত মানের গাড়ি।

শনিবার (৬ নভেম্বর) গাজিপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ট্যুরে’ অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এমন কথা জানান বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটির অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক এএনএম রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আগামী দিনে ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক বড় সুনামের অধিকারী হবে ও পরিচিতি পাবে। আপনারা জানেন ওয়ালটন, সেটাকেও আমরা হাই-টেক পার্ক ঘোষণা করেছি। ওয়ালটন কিন্তু এখানেও জায়গা নিয়েছে। আমাদের স্যামস্যাং, ফেয়ার গ্রুপ, তাদের যে প্রতিষ্ঠান, সেটিও হাই-টেক পার্ক। আমরা প্রাইভেট হাই-টেক পার্ক ঘোষণা করেছি। তারাও বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে জায়গা নিয়েছে এবং ডেভলপমেন্টের কাজ চলছে। অচিরেই তারা এখানে গাড়ি উৎপাদন শুরু করবে। তারা কিন্তু কাজ করছে। ওয়ালটন আছে এখানে, আরও কিছু কোম্পানি পণ্য রপ্তানি করছে। আমরা বাংলাদেশকে আগামী ২০৪১-এর মধ্যে উন্নত বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করতে পারবো।

রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির ক্ষেত্র শুধু আমদানিকারক দেশ হিসেবে নয়, রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও তৈরি হবে। এ বিষয়টি সামনে নিয়ে আমরা কাজ করছি। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, এ বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে আমাদের যতগুলো কোম্পানি তার শতকরা ৯০ শতাংশ ডিজিটাল তৈরি করছে। এ ডিজিটাল ডিভাইসগুলো যখন আমাদের এখান থেকে তৈরি হবে তখন এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। শুধু এখানে নয় সিলেটেও আমাদের কার্যক্রম চলছে। সেখানেও ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি হবে।

বাংলাদেশে গাড়ি নির্মাণ শুরু হলে বিশ্বের কাছে যেমন বাংলাদেশের মর্যাদা অনেক বাড়বে, তেমনি এ কারখানা বাংলাদেশে যোগাযোগ ও কর্মসংস্থান তথা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জন্য দিন বদলের উপাখ্যান ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’র স্বপ্ন উপস্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন সেই স্বপ্ন ধরা দিয়েছে বাস্তবতায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিজিটাল বাংলাদেশে তৈরি হবে বিশ্বমানের গাড়ি

আপডেট সময় ০৯:২১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

দেশেই তৈরি হবে বিশ্বমানের গাড়ি। এর ফলে যেমন গাড়ির মূল্য সাশ্রয় হবে, তেমনি কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে সাধারণ মানুষের।

ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির মাধ্যমে এগিয়ে যাবে দেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে আরেক ধাপ।

সত্যিই তাই, এক যুগ আগেও যেখানে এমন স্বপ্ন আকাশ কুসুম কল্পনা ছিল, আজ তা ধরা দিচ্ছে বাস্তবে। দেশের বিভিন্ন হাই-টেক পার্কের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায়। আর তার রেশ ধরেই নিজেদের দেশেই তৈরি হবে উন্নত মানের গাড়ি।

শনিবার (৬ নভেম্বর) গাজিপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ট্যুরে’ অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এমন কথা জানান বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটির অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক এএনএম রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আগামী দিনে ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক বড় সুনামের অধিকারী হবে ও পরিচিতি পাবে। আপনারা জানেন ওয়ালটন, সেটাকেও আমরা হাই-টেক পার্ক ঘোষণা করেছি। ওয়ালটন কিন্তু এখানেও জায়গা নিয়েছে। আমাদের স্যামস্যাং, ফেয়ার গ্রুপ, তাদের যে প্রতিষ্ঠান, সেটিও হাই-টেক পার্ক। আমরা প্রাইভেট হাই-টেক পার্ক ঘোষণা করেছি। তারাও বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে জায়গা নিয়েছে এবং ডেভলপমেন্টের কাজ চলছে। অচিরেই তারা এখানে গাড়ি উৎপাদন শুরু করবে। তারা কিন্তু কাজ করছে। ওয়ালটন আছে এখানে, আরও কিছু কোম্পানি পণ্য রপ্তানি করছে। আমরা বাংলাদেশকে আগামী ২০৪১-এর মধ্যে উন্নত বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করতে পারবো।

রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির ক্ষেত্র শুধু আমদানিকারক দেশ হিসেবে নয়, রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও তৈরি হবে। এ বিষয়টি সামনে নিয়ে আমরা কাজ করছি। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, এ বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে আমাদের যতগুলো কোম্পানি তার শতকরা ৯০ শতাংশ ডিজিটাল তৈরি করছে। এ ডিজিটাল ডিভাইসগুলো যখন আমাদের এখান থেকে তৈরি হবে তখন এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। শুধু এখানে নয় সিলেটেও আমাদের কার্যক্রম চলছে। সেখানেও ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি হবে।

বাংলাদেশে গাড়ি নির্মাণ শুরু হলে বিশ্বের কাছে যেমন বাংলাদেশের মর্যাদা অনেক বাড়বে, তেমনি এ কারখানা বাংলাদেশে যোগাযোগ ও কর্মসংস্থান তথা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জন্য দিন বদলের উপাখ্যান ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’র স্বপ্ন উপস্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন সেই স্বপ্ন ধরা দিয়েছে বাস্তবতায়।