ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দড়ি দিয়ে চেয়ারে বাঁধা কোহলি, বিস্মিত ভক্তরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আইপিএলে শিরোপার লড়াইয়ে যখন ধোনি-মরগান যুদ্ধে লিপ্ত তখন নিজের ইনস্টাগ্রামে অদ্ভূত এক ছবি পোস্ট করেছেন রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ছবিতে দেখা গেছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন কোহলি। দড়ি দিয়ে তার হাত দুটো চেয়ারের পেছনে বাঁধা। খানিকটা জিভ বের করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তিনি। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি। ভাবখানা এমন যে, নিজেকে বন্ধনমুক্ত করতে না পেরে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

ছবিটি পোস্টের পর থেকে ভাইরাল তো হওয়ার কথা নিশ্চিত। আইপিএলের ম্যাচের পাশাপাশি এ নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। ভক্তরা বিস্মিত। প্রশ্ন উঠেছে – নিজেকে চেয়ারে বেঁধে এমন ভঙ্গিতে কি বোঝাতে চাইছেন ভারত অধিনায়ক? এটা কি কোনো বিজ্ঞাপনের শুটিং?

নাকি আগামী ১৭ তারিখে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো বার্তা দিয়েছেন কোহলি।

কোহলির এই ছবির মর্মার্থ বুঝতে হলে পড়তে হবে ক্যাপশন। ছবির ওপরে কোহলি লিখেছেন – ‘জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে খেলতে এমন লাগে।’

এক কথাতেই বোঝা গেল, করোনাবিধিতে খেলোয়াড়দের বায়ো বাবল সুরক্ষায় থাকার তিক্ত অনুভূতির কথাই বোঝাতে এমন প্রতীকী ছবি আপলোড করেছেন কোহলি।

আইপিএলের কারণে দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ককে। এর ধকল কাটিয়ে না উঠতেই তাকে ঢুকতে হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে। অর্থাৎ জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার মেয়াদ আরো এক মাস বাড়ল।

হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেল—এই করেই কাটিয়ে দিতে এই দীর্ঘ সময়। এর বাইরে জীবন বলতে কিছু নেই যা রীতিমতো একঘেয়েমি ও মানসিক চাপে ফেলেছে ক্রিকেটারদের।

কারণ ক্রিকেটাররাও মানুষ, শরীর ও মন ঠিকই বিদ্রোহ করে বসে। এভাবে আর কত দিন থাকা যায়! কতদিন পরিবারকে না দেখে সময় কাটানো যায়। এমন বন্দি জীবন কার ভালো লাগে! তাই মন ছুটে যেতে যায় স্বজনদের কাছে।

কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয় তো ভাঙা যাবে না। তাই শরীর ও মনকে এভাবেই চেয়ারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন বিরাট কোহলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দড়ি দিয়ে চেয়ারে বাঁধা কোহলি, বিস্মিত ভক্তরা

আপডেট সময় ১১:২৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আইপিএলে শিরোপার লড়াইয়ে যখন ধোনি-মরগান যুদ্ধে লিপ্ত তখন নিজের ইনস্টাগ্রামে অদ্ভূত এক ছবি পোস্ট করেছেন রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ছবিতে দেখা গেছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন কোহলি। দড়ি দিয়ে তার হাত দুটো চেয়ারের পেছনে বাঁধা। খানিকটা জিভ বের করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তিনি। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি। ভাবখানা এমন যে, নিজেকে বন্ধনমুক্ত করতে না পেরে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

ছবিটি পোস্টের পর থেকে ভাইরাল তো হওয়ার কথা নিশ্চিত। আইপিএলের ম্যাচের পাশাপাশি এ নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। ভক্তরা বিস্মিত। প্রশ্ন উঠেছে – নিজেকে চেয়ারে বেঁধে এমন ভঙ্গিতে কি বোঝাতে চাইছেন ভারত অধিনায়ক? এটা কি কোনো বিজ্ঞাপনের শুটিং?

নাকি আগামী ১৭ তারিখে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো বার্তা দিয়েছেন কোহলি।

কোহলির এই ছবির মর্মার্থ বুঝতে হলে পড়তে হবে ক্যাপশন। ছবির ওপরে কোহলি লিখেছেন – ‘জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে খেলতে এমন লাগে।’

এক কথাতেই বোঝা গেল, করোনাবিধিতে খেলোয়াড়দের বায়ো বাবল সুরক্ষায় থাকার তিক্ত অনুভূতির কথাই বোঝাতে এমন প্রতীকী ছবি আপলোড করেছেন কোহলি।

আইপিএলের কারণে দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ককে। এর ধকল কাটিয়ে না উঠতেই তাকে ঢুকতে হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে। অর্থাৎ জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার মেয়াদ আরো এক মাস বাড়ল।

হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেল—এই করেই কাটিয়ে দিতে এই দীর্ঘ সময়। এর বাইরে জীবন বলতে কিছু নেই যা রীতিমতো একঘেয়েমি ও মানসিক চাপে ফেলেছে ক্রিকেটারদের।

কারণ ক্রিকেটাররাও মানুষ, শরীর ও মন ঠিকই বিদ্রোহ করে বসে। এভাবে আর কত দিন থাকা যায়! কতদিন পরিবারকে না দেখে সময় কাটানো যায়। এমন বন্দি জীবন কার ভালো লাগে! তাই মন ছুটে যেতে যায় স্বজনদের কাছে।

কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয় তো ভাঙা যাবে না। তাই শরীর ও মনকে এভাবেই চেয়ারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন বিরাট কোহলি।