ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

দড়ি দিয়ে চেয়ারে বাঁধা কোহলি, বিস্মিত ভক্তরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আইপিএলে শিরোপার লড়াইয়ে যখন ধোনি-মরগান যুদ্ধে লিপ্ত তখন নিজের ইনস্টাগ্রামে অদ্ভূত এক ছবি পোস্ট করেছেন রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ছবিতে দেখা গেছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন কোহলি। দড়ি দিয়ে তার হাত দুটো চেয়ারের পেছনে বাঁধা। খানিকটা জিভ বের করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তিনি। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি। ভাবখানা এমন যে, নিজেকে বন্ধনমুক্ত করতে না পেরে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

ছবিটি পোস্টের পর থেকে ভাইরাল তো হওয়ার কথা নিশ্চিত। আইপিএলের ম্যাচের পাশাপাশি এ নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। ভক্তরা বিস্মিত। প্রশ্ন উঠেছে – নিজেকে চেয়ারে বেঁধে এমন ভঙ্গিতে কি বোঝাতে চাইছেন ভারত অধিনায়ক? এটা কি কোনো বিজ্ঞাপনের শুটিং?

নাকি আগামী ১৭ তারিখে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো বার্তা দিয়েছেন কোহলি।

কোহলির এই ছবির মর্মার্থ বুঝতে হলে পড়তে হবে ক্যাপশন। ছবির ওপরে কোহলি লিখেছেন – ‘জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে খেলতে এমন লাগে।’

এক কথাতেই বোঝা গেল, করোনাবিধিতে খেলোয়াড়দের বায়ো বাবল সুরক্ষায় থাকার তিক্ত অনুভূতির কথাই বোঝাতে এমন প্রতীকী ছবি আপলোড করেছেন কোহলি।

আইপিএলের কারণে দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ককে। এর ধকল কাটিয়ে না উঠতেই তাকে ঢুকতে হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে। অর্থাৎ জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার মেয়াদ আরো এক মাস বাড়ল।

হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেল—এই করেই কাটিয়ে দিতে এই দীর্ঘ সময়। এর বাইরে জীবন বলতে কিছু নেই যা রীতিমতো একঘেয়েমি ও মানসিক চাপে ফেলেছে ক্রিকেটারদের।

কারণ ক্রিকেটাররাও মানুষ, শরীর ও মন ঠিকই বিদ্রোহ করে বসে। এভাবে আর কত দিন থাকা যায়! কতদিন পরিবারকে না দেখে সময় কাটানো যায়। এমন বন্দি জীবন কার ভালো লাগে! তাই মন ছুটে যেতে যায় স্বজনদের কাছে।

কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয় তো ভাঙা যাবে না। তাই শরীর ও মনকে এভাবেই চেয়ারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন বিরাট কোহলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দড়ি দিয়ে চেয়ারে বাঁধা কোহলি, বিস্মিত ভক্তরা

আপডেট সময় ১১:২৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আইপিএলে শিরোপার লড়াইয়ে যখন ধোনি-মরগান যুদ্ধে লিপ্ত তখন নিজের ইনস্টাগ্রামে অদ্ভূত এক ছবি পোস্ট করেছেন রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ছবিতে দেখা গেছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন কোহলি। দড়ি দিয়ে তার হাত দুটো চেয়ারের পেছনে বাঁধা। খানিকটা জিভ বের করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তিনি। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি। ভাবখানা এমন যে, নিজেকে বন্ধনমুক্ত করতে না পেরে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

ছবিটি পোস্টের পর থেকে ভাইরাল তো হওয়ার কথা নিশ্চিত। আইপিএলের ম্যাচের পাশাপাশি এ নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। ভক্তরা বিস্মিত। প্রশ্ন উঠেছে – নিজেকে চেয়ারে বেঁধে এমন ভঙ্গিতে কি বোঝাতে চাইছেন ভারত অধিনায়ক? এটা কি কোনো বিজ্ঞাপনের শুটিং?

নাকি আগামী ১৭ তারিখে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো বার্তা দিয়েছেন কোহলি।

কোহলির এই ছবির মর্মার্থ বুঝতে হলে পড়তে হবে ক্যাপশন। ছবির ওপরে কোহলি লিখেছেন – ‘জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে খেলতে এমন লাগে।’

এক কথাতেই বোঝা গেল, করোনাবিধিতে খেলোয়াড়দের বায়ো বাবল সুরক্ষায় থাকার তিক্ত অনুভূতির কথাই বোঝাতে এমন প্রতীকী ছবি আপলোড করেছেন কোহলি।

আইপিএলের কারণে দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ককে। এর ধকল কাটিয়ে না উঠতেই তাকে ঢুকতে হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জৈব সুরক্ষাবলয়ে। অর্থাৎ জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার মেয়াদ আরো এক মাস বাড়ল।

হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেল—এই করেই কাটিয়ে দিতে এই দীর্ঘ সময়। এর বাইরে জীবন বলতে কিছু নেই যা রীতিমতো একঘেয়েমি ও মানসিক চাপে ফেলেছে ক্রিকেটারদের।

কারণ ক্রিকেটাররাও মানুষ, শরীর ও মন ঠিকই বিদ্রোহ করে বসে। এভাবে আর কত দিন থাকা যায়! কতদিন পরিবারকে না দেখে সময় কাটানো যায়। এমন বন্দি জীবন কার ভালো লাগে! তাই মন ছুটে যেতে যায় স্বজনদের কাছে।

কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয় তো ভাঙা যাবে না। তাই শরীর ও মনকে এভাবেই চেয়ারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন বিরাট কোহলি।