আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
সিরিজ শুরুর আগে টাইগারদের কোচ জানিয়েছিলেন, পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটিতে কিপিং গ্লাভস থাকবে নুরুল হাসানের হাতে। পরের দুটি অর্থাৎ তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে কিপিং হিসেবে দাড়াবেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে কিপিংয়ে দেখা যায় নি মুশফিকুর রহিমকে। সেকারণেই প্রশ্ন উঠেছিল ‘কিপিংয়ে মুশফিকের পরিবর্তে সোহান কেন’?
অবশ্য ওইদিন ম্যাচ শেষে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। তিনি জানিয়েছিলেন টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে আর কিপিং করতে চান না মুশফিক। তবে মুশফিকের এই সিদ্ধান্তকে অভিমান হিসেবে দেখছেন না টাইগারদের সাবেক উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট। তার মতে দলের স্বার্থে মুশফিক কিপিং বাদ দিয়েছে এবং দলের প্রয়োজনেই আবার ফিরবেন।
সাবেক সফলতম উইকেটরক্ষকের মতে, ‘ক্রিকেটে মান-অভিমান করলে হয় না! মুশফিক অবশ্যই চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাছাড়া কোনো কারণে সোহান যদি দলে জায়গা পাকাপোক্ত করতে না পারে তাহলে কিন্তু আবার মুশফিককেই আসতে হতে পারে। দলের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কখনো কখনো নিজেকে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।’
তার মতে ক্রিকেট পরিবারে একটু–আধটু সমস্যা হতেই পারে। ক্রিকেট ও দলের স্বার্থে এসব মান-অভিমানগুলো দূর করা ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি। অবশ্য আলোচনার জন্ম দেওয়া মুশফিকের কিপিং ছাড়াটাকে সহজ ভাবেই নিচ্ছেন পাইলট।
তিনি বলেন, ‘কৌশলগত কারণে হয়তো সোহানকে কিপিংয়ে বেছে নিয়ে কোচ ও অধিনায়ক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের স্বার্থে। সোহানকে ঘরোয়া ক্রিকেটে কখনো ফিল্ডিং করতে দেখা না, সে মাঠে কেমন করবে, যদি ক্যাচ ছেড়ে দেয় এসব কিছু চিন্তা করেই হয়তো সোহানকে কিপিং করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তবে দলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানোর পক্ষে পাইলট। এক্ষেত্রে তার যুক্তি বর্তমান দলে মুশফিকুর রহিম ছাড়াও অন্যতম দুইজন উইকেটরক্ষক ব্যাটার আছে। পাইলটের মতে, ‘আমি নিশ্চিত যে মুশফিক হয়ত মান-অভিমান করেনি। হয়ত এই সিরিজে সে চিন্তা করেছে, সোহান ভালো কিপিং করছে এবং সে ভালো ফিল্ডিং করছে, এই চিন্তা করেই মুশফিক টি-টোয়েন্টিতে কিপিং করবেন না বলেছেন।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























