ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খেজুরগাছে নামাজ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ৩০ ফুট উঁচু একটি খেজুরগাছের মাথায় উঠে নামাজ আদায় করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন এক যুবক। তার নাম আব্দুর রহিম (২৮)।

সোমবার বিকালে উপজেলার কুঠিপাড়া গ্রামে ওই যুবক নামাজ আদায় করেন। নামাজপড়া শেষে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গাছে উঁচিয়ে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন তিনি। রহিমের নামাজ আদায়ের সময় এলাকার শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখেন।

আব্দুর রহিম মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, আব্দুর রহিম নামাজ আদায় ছাড়াও উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে কিছু কথাও বলেন। এর পর শারীরিক কিছু কসরত দেখিয়ে গাছ থেকে নেমে পড়েন।

এলাকাবাসী বলেন, আব্দুর রহিম নিয়মিত নামাজ পড়েন। তিনি কবিরাজি বা ঝাড়ফুঁক করেন। রহিম খেজুরগাছের ওপর নামাজ পড়ে সেখানে শারীরিক কসরতও দেখান। খেজুরগাছসহ বিভিন্ন গাছে উঠে মাঝেমধ্যে উনি নামাজ পড়েন এবং গাছের ওপরেই খেলাধুলা দেখান। ছোট থেকে রহিম এসব করেন।

এদিকে নামাজ শেষে খেজুরগাছ থেকে নেমে আব্দুর রহিম বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেজুরসহ বিভিন্ন গাছে উঠে খেলাধুলা দেখাই। তবে তার আগে আমি আল্লাহকে সন্তুষ্ট রাখতে গাছের ওপরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করি। কিছু খেলাধুলাও করি। এসব দেখে মানুষ কিছু টাকাপয়সা দেন। তা দিয়ে সংসার চালাই।

তিনি আরও জানান, তার জন্ম বগুড়ায়। তবে রাজশাহীর মোহনপুরে এসে বিয়ে করে তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানেই বসবাস করছেন।

এভাবে খেজুরগাছের ওপর উঠে নামাজ আদায়ের বিশেষ কোনো ফজিলত বা ধর্মীয় ফায়দা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে রাজশাহীর বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক ড. সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, এসব বিশেষ পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। খেজুরগাছে উঠে নামাজ আদায়ের কোনো দৃষ্টান্ত বা এর বিশেষ ফজিলতের কথা ইসলামের কোনো বিধিবিধানে নেই।

বেশি ফজিলতের জন্য ইসলামের বহু হাদিসে বিভিন্ন ইবাদতের কথা বলা আছে। সেগুলো সহি কায়দায় আমল করতে পারেন যে কেউ। আল্লাহপাক তাতে খুশি হবেন।

এদিকে শুধু আব্দুর রহিমই নয়, এর আগে ২০১৪ সালে ২ নভেম্বর রাজশাহীর বাগমারার আক্কেলপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন মোজাম (৩৪) উঁচু খেজুরগাছে উঠে নামাজ পড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছিলেন।

তিনি দুর্গাপুর মহিলা কলেজের পার্শ্ববর্তী একটি উঁচু খেজুরগাছে উঠে চার রাকাত নফল নামাজ পড়েন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খেজুরগাছে নামাজ!

আপডেট সময় ০৪:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ৩০ ফুট উঁচু একটি খেজুরগাছের মাথায় উঠে নামাজ আদায় করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন এক যুবক। তার নাম আব্দুর রহিম (২৮)।

সোমবার বিকালে উপজেলার কুঠিপাড়া গ্রামে ওই যুবক নামাজ আদায় করেন। নামাজপড়া শেষে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গাছে উঁচিয়ে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন তিনি। রহিমের নামাজ আদায়ের সময় এলাকার শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখেন।

আব্দুর রহিম মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, আব্দুর রহিম নামাজ আদায় ছাড়াও উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে কিছু কথাও বলেন। এর পর শারীরিক কিছু কসরত দেখিয়ে গাছ থেকে নেমে পড়েন।

এলাকাবাসী বলেন, আব্দুর রহিম নিয়মিত নামাজ পড়েন। তিনি কবিরাজি বা ঝাড়ফুঁক করেন। রহিম খেজুরগাছের ওপর নামাজ পড়ে সেখানে শারীরিক কসরতও দেখান। খেজুরগাছসহ বিভিন্ন গাছে উঠে মাঝেমধ্যে উনি নামাজ পড়েন এবং গাছের ওপরেই খেলাধুলা দেখান। ছোট থেকে রহিম এসব করেন।

এদিকে নামাজ শেষে খেজুরগাছ থেকে নেমে আব্দুর রহিম বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেজুরসহ বিভিন্ন গাছে উঠে খেলাধুলা দেখাই। তবে তার আগে আমি আল্লাহকে সন্তুষ্ট রাখতে গাছের ওপরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করি। কিছু খেলাধুলাও করি। এসব দেখে মানুষ কিছু টাকাপয়সা দেন। তা দিয়ে সংসার চালাই।

তিনি আরও জানান, তার জন্ম বগুড়ায়। তবে রাজশাহীর মোহনপুরে এসে বিয়ে করে তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানেই বসবাস করছেন।

এভাবে খেজুরগাছের ওপর উঠে নামাজ আদায়ের বিশেষ কোনো ফজিলত বা ধর্মীয় ফায়দা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে রাজশাহীর বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক ড. সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, এসব বিশেষ পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। খেজুরগাছে উঠে নামাজ আদায়ের কোনো দৃষ্টান্ত বা এর বিশেষ ফজিলতের কথা ইসলামের কোনো বিধিবিধানে নেই।

বেশি ফজিলতের জন্য ইসলামের বহু হাদিসে বিভিন্ন ইবাদতের কথা বলা আছে। সেগুলো সহি কায়দায় আমল করতে পারেন যে কেউ। আল্লাহপাক তাতে খুশি হবেন।

এদিকে শুধু আব্দুর রহিমই নয়, এর আগে ২০১৪ সালে ২ নভেম্বর রাজশাহীর বাগমারার আক্কেলপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন মোজাম (৩৪) উঁচু খেজুরগাছে উঠে নামাজ পড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছিলেন।

তিনি দুর্গাপুর মহিলা কলেজের পার্শ্ববর্তী একটি উঁচু খেজুরগাছে উঠে চার রাকাত নফল নামাজ পড়েন।