ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আর্মেনিয়ায় তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আর্মেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ চাঙ্গা হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ানের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

এ দাবিতে গত শনিবার এবং রোববার লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে আর্মেনিয়ার রাজধানীতে। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ঘিরে ফেলেছিলেন তারা। পাশিনয়ান অবশ্য পদত্যাগের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, আপাতত ক্ষমতা ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সম্প্রতি নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধ চলে। যুদ্ধে কারাবাখের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো পুনর্দখল করে আজারবাইজান। গত তিন দশক যা আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর হাতে ছিল।

আজারবাইজানের মধ্যে থেকেও তারা নিজেদের স্বাধীন সরকার তৈরি করেছিল আর্মেনিয়ার মদদে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার হস্তক্ষেপে তিন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। ফলে নাগোরনো-কারাবাখের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আজারবাইজানের হাতে যায়। সেই অঞ্চল ফাঁকা করে দিতে হয়েছে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীকে।

এর পরেই আর্মেনিয়ায় প্রধানন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বলা হয়, চুক্তিতে সই করে আর্মেনিয়া আপস করেছে। এতে আজরবাইজানের লাভ এবং আর্মেনিয়ার ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সে কথা স্বীকার করেছেন।

শনি ও রোববার প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা বলছে, আজারবাইজানের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুণ্যভূমি তুলে দিয়েছে আর্মেনিয়া। ওই সব অঞ্চলে আর্মেনিয়ার মানুষ নিয়মিত তীর্থে যেতেন। রাশিয়া অবশ্য আগেই আজারবাইজানকে বলেছিল, কোনো চার্চ বা ধর্মস্থান ধ্বংস করা যাবে না।

আর্মেনিয়ার সরকারবিরোধীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য রোববারেও জানিয়েছেন, পদত্যাগের আপাতত কোনো ইচ্ছা নেই তার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আর্মেনিয়ায় তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আর্মেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ চাঙ্গা হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ানের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

এ দাবিতে গত শনিবার এবং রোববার লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে আর্মেনিয়ার রাজধানীতে। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ঘিরে ফেলেছিলেন তারা। পাশিনয়ান অবশ্য পদত্যাগের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, আপাতত ক্ষমতা ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সম্প্রতি নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধ চলে। যুদ্ধে কারাবাখের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো পুনর্দখল করে আজারবাইজান। গত তিন দশক যা আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর হাতে ছিল।

আজারবাইজানের মধ্যে থেকেও তারা নিজেদের স্বাধীন সরকার তৈরি করেছিল আর্মেনিয়ার মদদে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার হস্তক্ষেপে তিন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। ফলে নাগোরনো-কারাবাখের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আজারবাইজানের হাতে যায়। সেই অঞ্চল ফাঁকা করে দিতে হয়েছে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীকে।

এর পরেই আর্মেনিয়ায় প্রধানন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বলা হয়, চুক্তিতে সই করে আর্মেনিয়া আপস করেছে। এতে আজরবাইজানের লাভ এবং আর্মেনিয়ার ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সে কথা স্বীকার করেছেন।

শনি ও রোববার প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা বলছে, আজারবাইজানের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুণ্যভূমি তুলে দিয়েছে আর্মেনিয়া। ওই সব অঞ্চলে আর্মেনিয়ার মানুষ নিয়মিত তীর্থে যেতেন। রাশিয়া অবশ্য আগেই আজারবাইজানকে বলেছিল, কোনো চার্চ বা ধর্মস্থান ধ্বংস করা যাবে না।

আর্মেনিয়ার সরকারবিরোধীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য রোববারেও জানিয়েছেন, পদত্যাগের আপাতত কোনো ইচ্ছা নেই তার।