ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

আর্মেনিয়ায় তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আর্মেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ চাঙ্গা হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ানের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

এ দাবিতে গত শনিবার এবং রোববার লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে আর্মেনিয়ার রাজধানীতে। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ঘিরে ফেলেছিলেন তারা। পাশিনয়ান অবশ্য পদত্যাগের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, আপাতত ক্ষমতা ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সম্প্রতি নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধ চলে। যুদ্ধে কারাবাখের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো পুনর্দখল করে আজারবাইজান। গত তিন দশক যা আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর হাতে ছিল।

আজারবাইজানের মধ্যে থেকেও তারা নিজেদের স্বাধীন সরকার তৈরি করেছিল আর্মেনিয়ার মদদে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার হস্তক্ষেপে তিন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। ফলে নাগোরনো-কারাবাখের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আজারবাইজানের হাতে যায়। সেই অঞ্চল ফাঁকা করে দিতে হয়েছে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীকে।

এর পরেই আর্মেনিয়ায় প্রধানন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বলা হয়, চুক্তিতে সই করে আর্মেনিয়া আপস করেছে। এতে আজরবাইজানের লাভ এবং আর্মেনিয়ার ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সে কথা স্বীকার করেছেন।

শনি ও রোববার প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা বলছে, আজারবাইজানের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুণ্যভূমি তুলে দিয়েছে আর্মেনিয়া। ওই সব অঞ্চলে আর্মেনিয়ার মানুষ নিয়মিত তীর্থে যেতেন। রাশিয়া অবশ্য আগেই আজারবাইজানকে বলেছিল, কোনো চার্চ বা ধর্মস্থান ধ্বংস করা যাবে না।

আর্মেনিয়ার সরকারবিরোধীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য রোববারেও জানিয়েছেন, পদত্যাগের আপাতত কোনো ইচ্ছা নেই তার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান

আর্মেনিয়ায় তীব্র হচ্ছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আর্মেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ চাঙ্গা হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ানের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

এ দাবিতে গত শনিবার এবং রোববার লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে আর্মেনিয়ার রাজধানীতে। খবর ডয়েচে ভেলের।

প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ঘিরে ফেলেছিলেন তারা। পাশিনয়ান অবশ্য পদত্যাগের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, আপাতত ক্ষমতা ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সম্প্রতি নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধ চলে। যুদ্ধে কারাবাখের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো পুনর্দখল করে আজারবাইজান। গত তিন দশক যা আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর হাতে ছিল।

আজারবাইজানের মধ্যে থেকেও তারা নিজেদের স্বাধীন সরকার তৈরি করেছিল আর্মেনিয়ার মদদে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার হস্তক্ষেপে তিন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। ফলে নাগোরনো-কারাবাখের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আজারবাইজানের হাতে যায়। সেই অঞ্চল ফাঁকা করে দিতে হয়েছে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীকে।

এর পরেই আর্মেনিয়ায় প্রধানন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বলা হয়, চুক্তিতে সই করে আর্মেনিয়া আপস করেছে। এতে আজরবাইজানের লাভ এবং আর্মেনিয়ার ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সে কথা স্বীকার করেছেন।

শনি ও রোববার প্রায় ২০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা বলছে, আজারবাইজানের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুণ্যভূমি তুলে দিয়েছে আর্মেনিয়া। ওই সব অঞ্চলে আর্মেনিয়ার মানুষ নিয়মিত তীর্থে যেতেন। রাশিয়া অবশ্য আগেই আজারবাইজানকে বলেছিল, কোনো চার্চ বা ধর্মস্থান ধ্বংস করা যাবে না।

আর্মেনিয়ার সরকারবিরোধীরাও এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য রোববারেও জানিয়েছেন, পদত্যাগের আপাতত কোনো ইচ্ছা নেই তার।