ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ইয়েমেন সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই: আরাগচি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন খুলতে বাংলাদেশ-চিলির আলোচনা উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নসহ পুরো দেশে সুষম উন্নয়ন করবে সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সঙ্গে রাজনীতি জড়িত নয়: পরিবেশমন্ত্রী জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ প্রস্তাব গৃহীত অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সাংবাদিকের কাজ তথ্য দেওয়া, অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নওগাঁর ছাত্রাবাসে মিললো কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

বকেয়া রফতানি আয় ৩১ মার্চের মধ্যে আনা যাবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় সময়মতো রফতানি আয় দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বকেয়া হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এখন থেকে সব ধরনের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনা যাবে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে শুধু গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনার সুযোগ দিয়েছে। এখন সব খাতেই এ সুযোগ দেয়া হল। পণ্য রফতানির পর সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রফতানি আয় দেশে আনতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে না এলে তা বকেয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

করোনার কারণে গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য প্রায় স্থবির ছিল। এরপর থেকে সীমিত আকারে চালু হলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রফতানি আয়ও সময়মতো দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সীমা বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রভাব সব খাতেই পড়েছে বলে এ সুযোগ এবার সব খাতেই দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বকেয়া রফতানি আয় ৩১ মার্চের মধ্যে আনা যাবে

আপডেট সময় ০৫:৩০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় সময়মতো রফতানি আয় দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বকেয়া হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এখন থেকে সব ধরনের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনা যাবে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে শুধু গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনার সুযোগ দিয়েছে। এখন সব খাতেই এ সুযোগ দেয়া হল। পণ্য রফতানির পর সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রফতানি আয় দেশে আনতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে না এলে তা বকেয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

করোনার কারণে গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য প্রায় স্থবির ছিল। এরপর থেকে সীমিত আকারে চালু হলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রফতানি আয়ও সময়মতো দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সীমা বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রভাব সব খাতেই পড়েছে বলে এ সুযোগ এবার সব খাতেই দেয়া হয়েছে।