ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বকেয়া রফতানি আয় ৩১ মার্চের মধ্যে আনা যাবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় সময়মতো রফতানি আয় দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বকেয়া হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এখন থেকে সব ধরনের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনা যাবে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে শুধু গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনার সুযোগ দিয়েছে। এখন সব খাতেই এ সুযোগ দেয়া হল। পণ্য রফতানির পর সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রফতানি আয় দেশে আনতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে না এলে তা বকেয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

করোনার কারণে গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য প্রায় স্থবির ছিল। এরপর থেকে সীমিত আকারে চালু হলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রফতানি আয়ও সময়মতো দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সীমা বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রভাব সব খাতেই পড়েছে বলে এ সুযোগ এবার সব খাতেই দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বকেয়া রফতানি আয় ৩১ মার্চের মধ্যে আনা যাবে

আপডেট সময় ০৫:৩০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় সময়মতো রফতানি আয় দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বকেয়া হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এখন থেকে সব ধরনের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনা যাবে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে শুধু গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের পণ্যের বকেয়া রফতানি আয় আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশে আনার সুযোগ দিয়েছে। এখন সব খাতেই এ সুযোগ দেয়া হল। পণ্য রফতানির পর সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রফতানি আয় দেশে আনতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে না এলে তা বকেয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

করোনার কারণে গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য প্রায় স্থবির ছিল। এরপর থেকে সীমিত আকারে চালু হলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রফতানি আয়ও সময়মতো দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে রফতানি আয় দেশে আনার সীমা বাড়ানো হয়েছে। করোনার প্রভাব সব খাতেই পড়েছে বলে এ সুযোগ এবার সব খাতেই দেয়া হয়েছে।