ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নারী নির্যাতন-ধর্ষণ বন্ধে খুলনা ইমাম পরিষদের ১২ প্রস্তাব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণ বন্ধে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ ১২টি প্রস্তাবনা দিয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সরকার ও জনগণের কর্তব্য শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতির এ ক্ৰান্তিকালে দ্বীনি চেতনায় উজ্জীবিত উলামায়ে কিরাম নিশ্চিন্তে বসে থাকতে পারেন না। তাই তারা বরাবরের মত চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অপরাধমুক্ত নিরাপদ পরিবার ও রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে সরকার ও জনগণের প্রতি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক কিছু মৌলিক প্রস্তাবনা জানিয়েছেন।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিককে অপরাধীর সঙ্গে সম্পর্ক যা-ই হোক তার অপরাধকে অপরাধ বলে বিবেচনা করতে হবে। আর অপরাধীর অন্তরেও অপরাধবোধ জাগিয়ে তুলতে সচেষ্ট হতে হবে। সঙ্গে নিজের এবং পরিবারে অপরাধের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। মার্জিত আচার-আচরণ শিক্ষা দেওয়াসহ তাদের শালীন পোশাকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আর বিশেষভাবে মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এ বিষয়ে নিজেরাও সজাগ থাকতে হবে। টেলিভিশন, সিনেমা ও ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে, যাতে অপরাধীরা কোনো সমাজে আশ্রয় না পায়।

ইমাম পরিষদ মনে করে, সরকার ও জনগণ এ সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করলে স্থায়ীভাবে অপরাধ বিদায় নেবে বা কমে আসবে। সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার ও জনগণের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন কাসেমী ও অধ্যক্ষ মাওলানা এ এফ এম নাজমুস সউদ, আইন ও বিচার বিষয়ক সম্পাদক মুফতি গোলামুর রহমান, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আনোয়ারুল আজম, প্রচার সম্পাদক মোল্লা মাওলানা মিরাজুল হক প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ইমাম পরিষদের নেতারা প্রস্তাবনাগুলো জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের কাছে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নারী নির্যাতন-ধর্ষণ বন্ধে খুলনা ইমাম পরিষদের ১২ প্রস্তাব

আপডেট সময় ০৫:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণ বন্ধে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ ১২টি প্রস্তাবনা দিয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সরকার ও জনগণের কর্তব্য শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতির এ ক্ৰান্তিকালে দ্বীনি চেতনায় উজ্জীবিত উলামায়ে কিরাম নিশ্চিন্তে বসে থাকতে পারেন না। তাই তারা বরাবরের মত চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অপরাধমুক্ত নিরাপদ পরিবার ও রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে সরকার ও জনগণের প্রতি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক কিছু মৌলিক প্রস্তাবনা জানিয়েছেন।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিককে অপরাধীর সঙ্গে সম্পর্ক যা-ই হোক তার অপরাধকে অপরাধ বলে বিবেচনা করতে হবে। আর অপরাধীর অন্তরেও অপরাধবোধ জাগিয়ে তুলতে সচেষ্ট হতে হবে। সঙ্গে নিজের এবং পরিবারে অপরাধের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। মার্জিত আচার-আচরণ শিক্ষা দেওয়াসহ তাদের শালীন পোশাকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আর বিশেষভাবে মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এ বিষয়ে নিজেরাও সজাগ থাকতে হবে। টেলিভিশন, সিনেমা ও ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে, যাতে অপরাধীরা কোনো সমাজে আশ্রয় না পায়।

ইমাম পরিষদ মনে করে, সরকার ও জনগণ এ সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করলে স্থায়ীভাবে অপরাধ বিদায় নেবে বা কমে আসবে। সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার ও জনগণের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন কাসেমী ও অধ্যক্ষ মাওলানা এ এফ এম নাজমুস সউদ, আইন ও বিচার বিষয়ক সম্পাদক মুফতি গোলামুর রহমান, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আনোয়ারুল আজম, প্রচার সম্পাদক মোল্লা মাওলানা মিরাজুল হক প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ইমাম পরিষদের নেতারা প্রস্তাবনাগুলো জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের কাছে দেন।