ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় স্বামী গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বরগুনায় পরিবার কল্যান পরিদর্শিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলায় স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বরগুনা পৌর শহরের আমতলাপাড় এলাকার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নার্গিস সুলতানা অশ্রু। তিনি বরগুনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিন এই বাসার স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। নির্যাতনের ঘটনাও ঘটতো।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা পৌর শহরের আমতলা পাড়া এলাকায় স্ত্রী নার্গিস সুলতানা অশ্রু ও সন্তানদের নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন তালতলী উপজেলার ছোট বগী পিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরু। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো। প্রায় সময় মারধর করা হতো অশ্রুকে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার দুপুরের পর পর তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ অশ্রুর পরিবারের।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই গোলাম সরোয়ার মিরণ বাদী হয়ে স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনার দিন স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো এর জেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে হয়। তবে লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে জানতে পারবো এটি হত্যা না আত্মহত্যা। এছাড়াও ইতোমধ্যেই আমরা এঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় স্বামী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:১৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বরগুনায় পরিবার কল্যান পরিদর্শিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলায় স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বরগুনা পৌর শহরের আমতলাপাড় এলাকার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নার্গিস সুলতানা অশ্রু। তিনি বরগুনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিন এই বাসার স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। নির্যাতনের ঘটনাও ঘটতো।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা পৌর শহরের আমতলা পাড়া এলাকায় স্ত্রী নার্গিস সুলতানা অশ্রু ও সন্তানদের নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন তালতলী উপজেলার ছোট বগী পিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরু। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো। প্রায় সময় মারধর করা হতো অশ্রুকে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার দুপুরের পর পর তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ অশ্রুর পরিবারের।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই গোলাম সরোয়ার মিরণ বাদী হয়ে স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনার দিন স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো এর জেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে হয়। তবে লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে জানতে পারবো এটি হত্যা না আত্মহত্যা। এছাড়াও ইতোমধ্যেই আমরা এঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।