ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩২ ঘণ্টার বিভীষিকা, যেভাবে বেঁচে ফিরল ১২ বছরের কিশোরী ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় স্বামী গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বরগুনায় পরিবার কল্যান পরিদর্শিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলায় স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বরগুনা পৌর শহরের আমতলাপাড় এলাকার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নার্গিস সুলতানা অশ্রু। তিনি বরগুনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিন এই বাসার স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। নির্যাতনের ঘটনাও ঘটতো।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা পৌর শহরের আমতলা পাড়া এলাকায় স্ত্রী নার্গিস সুলতানা অশ্রু ও সন্তানদের নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন তালতলী উপজেলার ছোট বগী পিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরু। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো। প্রায় সময় মারধর করা হতো অশ্রুকে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার দুপুরের পর পর তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ অশ্রুর পরিবারের।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই গোলাম সরোয়ার মিরণ বাদী হয়ে স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনার দিন স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো এর জেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে হয়। তবে লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে জানতে পারবো এটি হত্যা না আত্মহত্যা। এছাড়াও ইতোমধ্যেই আমরা এঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় স্বামী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:১৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বরগুনায় পরিবার কল্যান পরিদর্শিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলায় স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বরগুনা পৌর শহরের আমতলাপাড় এলাকার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নার্গিস সুলতানা অশ্রু। তিনি বরগুনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিন এই বাসার স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। নির্যাতনের ঘটনাও ঘটতো।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা পৌর শহরের আমতলা পাড়া এলাকায় স্ত্রী নার্গিস সুলতানা অশ্রু ও সন্তানদের নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন তালতলী উপজেলার ছোট বগী পিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরু। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো। প্রায় সময় মারধর করা হতো অশ্রুকে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার দুপুরের পর পর তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ অশ্রুর পরিবারের।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই গোলাম সরোয়ার মিরণ বাদী হয়ে স্বামী স্কুল শিক্ষক রেজবুল হায়দার হিরুকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনার দিন স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি ছিলো এর জেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে হয়। তবে লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে জানতে পারবো এটি হত্যা না আত্মহত্যা। এছাড়াও ইতোমধ্যেই আমরা এঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।