ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাত ১২টায় পদ ছেড়ে দেব: ডাকসু জিএস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার মধ্যরাতে নিজের পদ ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী।

সোমবার বিকালে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের পদচ্যুত সাধারণ সম্পাদক এই ঘোষণা দেন।

ছাত্রলীগের আলোচিত এই নেতা ফেসবুকে লিখেন: ‘ডাকসুর বিষয়ে আমার বক্তব্য একদম স্পষ্ট। নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত এক মিনিটও পদে থাকতে চাই না। আজ রাত ১২.০০ ঘটিকায় পদ ছেড়ে দেব।’

গোলাম রব্বানী লিখেন, ‘বল তখন থাকবে ডাকসুর সম্মানিত সভাপতি, মাননীয় উপাচার্য মহোদয় এর কোর্টে… আমাদের দাবি থাকবে, করোনা দুর্যোগকালীন উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যেহেতু আমাদের ৩৬৫ দিনের বৈধ মেয়াদের আগেই অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ। তাই আমাদের অসমাপ্ত কাজ, বিশেষ করে, মাস্টার প্লান বাস্তবায়নে সহায়তা এবং ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে আমার ব্যক্তিগত কন্টিনজেন্সি ফান্ডের অর্থসহ ডাকসুর অব্যবহৃত বাজেটের টাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদান করতে চাই।’

জিএস বলেন, ‘আর অবশ্যই চাই, ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ামাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে সচল হওয়া ডাকসুকে আর অচল দেখতে চাই না।’

গোলাম রব্বানী লিখেছেন, ‘করোনা দুর্যোগের জন্য যে সাড়ে তিন মাস আমরা কাজ করতে পারিনি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে সময়টুকু আমাদের প্রাপ্য, আর সেই সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী নির্বাচনও আয়োজন করে ফেলতে পারবে। তাহলে ডাকসুর গঠনতন্ত্র (৬ এর গ ধারা) মেনেই আমরা নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারবো।’

‘এটুকু শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমাদের যৌক্তিক দাবি। আর সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় ডাকসুর কমিটি ভেঙে দিয়েও যদি উক্ত দাবি মেনে নেন, আমার কোনো আপত্তি নেই।’

প্রসঙ্গত, প্রায় ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন হয়। এতে ২৫টি পদের ২৩টিই ছাত্রলীগের দখলে যায়। শুধু ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে জয়ী হন কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নূর ও আখতার হোসেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগের মুখে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীকে ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাত ১২টায় পদ ছেড়ে দেব: ডাকসু জিএস

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার মধ্যরাতে নিজের পদ ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী।

সোমবার বিকালে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের পদচ্যুত সাধারণ সম্পাদক এই ঘোষণা দেন।

ছাত্রলীগের আলোচিত এই নেতা ফেসবুকে লিখেন: ‘ডাকসুর বিষয়ে আমার বক্তব্য একদম স্পষ্ট। নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত এক মিনিটও পদে থাকতে চাই না। আজ রাত ১২.০০ ঘটিকায় পদ ছেড়ে দেব।’

গোলাম রব্বানী লিখেন, ‘বল তখন থাকবে ডাকসুর সম্মানিত সভাপতি, মাননীয় উপাচার্য মহোদয় এর কোর্টে… আমাদের দাবি থাকবে, করোনা দুর্যোগকালীন উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যেহেতু আমাদের ৩৬৫ দিনের বৈধ মেয়াদের আগেই অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ। তাই আমাদের অসমাপ্ত কাজ, বিশেষ করে, মাস্টার প্লান বাস্তবায়নে সহায়তা এবং ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে আমার ব্যক্তিগত কন্টিনজেন্সি ফান্ডের অর্থসহ ডাকসুর অব্যবহৃত বাজেটের টাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদান করতে চাই।’

জিএস বলেন, ‘আর অবশ্যই চাই, ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ামাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে সচল হওয়া ডাকসুকে আর অচল দেখতে চাই না।’

গোলাম রব্বানী লিখেছেন, ‘করোনা দুর্যোগের জন্য যে সাড়ে তিন মাস আমরা কাজ করতে পারিনি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে সময়টুকু আমাদের প্রাপ্য, আর সেই সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী নির্বাচনও আয়োজন করে ফেলতে পারবে। তাহলে ডাকসুর গঠনতন্ত্র (৬ এর গ ধারা) মেনেই আমরা নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারবো।’

‘এটুকু শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমাদের যৌক্তিক দাবি। আর সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় ডাকসুর কমিটি ভেঙে দিয়েও যদি উক্ত দাবি মেনে নেন, আমার কোনো আপত্তি নেই।’

প্রসঙ্গত, প্রায় ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন হয়। এতে ২৫টি পদের ২৩টিই ছাত্রলীগের দখলে যায়। শুধু ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে জয়ী হন কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নূর ও আখতার হোসেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগের মুখে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীকে ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।