ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটনের মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে’– এ স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত মারা যান। তিনি দেশ টিভি, বাংলাদেশ বেতার ও ভোরের কাগজের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর পরই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

মৃত্যুর ঠিক ২ ঘণ্টা আগে শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে, ময়মনসিংহে যাচ্ছি বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত। এটিই যে তার শেষ স্ট্যাটাস হবে তা হয়তো তিনি নিজেও জানতেন না।

স্বজনরা জানান, রোববার নেত্রকোনা মহাশ্মশানঘাটে লিটন ধর গুপ্তের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন লিটন ধর গুপ্ত। আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল তার।

এর মাঝে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিন ধরে ব্যথা বেশি অনুভূত হলে শনিবার বেলা ২টার দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে লিটন ধর গুপ্তকে নেত্রকোনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক ময়মনসিংহ নেয়ার কথা বলে দেন। কিন্তু লিটনের সহধর্মিণী সীমা রায় মোহনগঞ্জে চাকরিরত থাকায় আসতে বিলম্ব হয়।

পরে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ রওনা দেন। ময়মনসিংহ পৌঁছার পর পরই লিটন মারা যান।

তার অকাল মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলেন্দু পালসহ সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সবস্তরের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা লিটন সাংবাদিকতা ছাড়াও শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির যন্ত্রী প্রশিক্ষক ছিলেন। লিটন ধর গুপ্ত নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং জেলা টেলিভিশন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কথা জানালেন জি এম কাদের

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে’– এ স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত মারা যান। তিনি দেশ টিভি, বাংলাদেশ বেতার ও ভোরের কাগজের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর পরই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

মৃত্যুর ঠিক ২ ঘণ্টা আগে শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে, ময়মনসিংহে যাচ্ছি বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত। এটিই যে তার শেষ স্ট্যাটাস হবে তা হয়তো তিনি নিজেও জানতেন না।

স্বজনরা জানান, রোববার নেত্রকোনা মহাশ্মশানঘাটে লিটন ধর গুপ্তের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন লিটন ধর গুপ্ত। আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল তার।

এর মাঝে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিন ধরে ব্যথা বেশি অনুভূত হলে শনিবার বেলা ২টার দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে লিটন ধর গুপ্তকে নেত্রকোনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক ময়মনসিংহ নেয়ার কথা বলে দেন। কিন্তু লিটনের সহধর্মিণী সীমা রায় মোহনগঞ্জে চাকরিরত থাকায় আসতে বিলম্ব হয়।

পরে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ রওনা দেন। ময়মনসিংহ পৌঁছার পর পরই লিটন মারা যান।

তার অকাল মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলেন্দু পালসহ সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সবস্তরের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা লিটন সাংবাদিকতা ছাড়াও শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির যন্ত্রী প্রশিক্ষক ছিলেন। লিটন ধর গুপ্ত নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং জেলা টেলিভিশন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।