ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আত্মত্যাগে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার গভীর মিল: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১১ জুলাইয়ের মধ্যে সব ক্লিনিকে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটনের মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে’– এ স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত মারা যান। তিনি দেশ টিভি, বাংলাদেশ বেতার ও ভোরের কাগজের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর পরই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

মৃত্যুর ঠিক ২ ঘণ্টা আগে শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে, ময়মনসিংহে যাচ্ছি বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত। এটিই যে তার শেষ স্ট্যাটাস হবে তা হয়তো তিনি নিজেও জানতেন না।

স্বজনরা জানান, রোববার নেত্রকোনা মহাশ্মশানঘাটে লিটন ধর গুপ্তের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন লিটন ধর গুপ্ত। আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল তার।

এর মাঝে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিন ধরে ব্যথা বেশি অনুভূত হলে শনিবার বেলা ২টার দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে লিটন ধর গুপ্তকে নেত্রকোনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক ময়মনসিংহ নেয়ার কথা বলে দেন। কিন্তু লিটনের সহধর্মিণী সীমা রায় মোহনগঞ্জে চাকরিরত থাকায় আসতে বিলম্ব হয়।

পরে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ রওনা দেন। ময়মনসিংহ পৌঁছার পর পরই লিটন মারা যান।

তার অকাল মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলেন্দু পালসহ সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সবস্তরের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা লিটন সাংবাদিকতা ছাড়াও শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির যন্ত্রী প্রশিক্ষক ছিলেন। লিটন ধর গুপ্ত নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং জেলা টেলিভিশন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আত্মত্যাগে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার গভীর মিল: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে’– এ স্ট্যাটাস দেয়ার ২ ঘণ্টা পরই সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত মারা যান। তিনি দেশ টিভি, বাংলাদেশ বেতার ও ভোরের কাগজের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর পরই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

মৃত্যুর ঠিক ২ ঘণ্টা আগে শরীর ভালো লাগছে না, বুকে ব্যথা হচ্ছে, ময়মনসিংহে যাচ্ছি বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাংবাদিক লিটন ধর গুপ্ত। এটিই যে তার শেষ স্ট্যাটাস হবে তা হয়তো তিনি নিজেও জানতেন না।

স্বজনরা জানান, রোববার নেত্রকোনা মহাশ্মশানঘাটে লিটন ধর গুপ্তের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন লিটন ধর গুপ্ত। আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল তার।

এর মাঝে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিন ধরে ব্যথা বেশি অনুভূত হলে শনিবার বেলা ২টার দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে লিটন ধর গুপ্তকে নেত্রকোনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক ময়মনসিংহ নেয়ার কথা বলে দেন। কিন্তু লিটনের সহধর্মিণী সীমা রায় মোহনগঞ্জে চাকরিরত থাকায় আসতে বিলম্ব হয়।

পরে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ রওনা দেন। ময়মনসিংহ পৌঁছার পর পরই লিটন মারা যান।

তার অকাল মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলেন্দু পালসহ সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সবস্তরের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা লিটন সাংবাদিকতা ছাড়াও শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির যন্ত্রী প্রশিক্ষক ছিলেন। লিটন ধর গুপ্ত নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং জেলা টেলিভিশন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।