ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়েটিক: বাড়াচ্ছে নতুন বিপদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এখনও কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তাই চিকিৎসকরা বিভিন্ন রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ বিবেচনায় অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করছেন চিকিৎসকরা।

তবে এ নিয়ে আশঙ্কার কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ প্রয়োগে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটির দাবি করেছে, অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে চলমান এই সংকটে ও পরবর্তী সময়ে অধিক মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সোমবার জানান, সাধারণত ব্যাকটেরিয়াজাত সংক্রমণ দমনে যেসব ওষুধ ব্যবহৃত হয় সেসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকতে সক্ষম ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ‘উদ্বেগজনক হারে’ বেড়ে গেছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস সংকটে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

এ ব্যাপারে জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে তেদ্রোস আধানম বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার হার বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে চলমান এই মহামারির সময় এবং এর পরে রোগ ও মৃত্যুর বোঝা বাড়াবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত খুব কম রোগীর ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের দরকার পড়ে। কাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা যাবে এ ব্যাপারে একটি নির্দেশনাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার ক্ষমতাকে প্রতিরোধ করা বর্তমান সময়ের ‘অন্যতম জরুরি চ্যালেঞ্জ’ বলে উল্লেখ করেছেন তেদ্রোস আধানম- এটা পরিষ্কার যে, বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়েটিক: বাড়াচ্ছে নতুন বিপদ

আপডেট সময় ০৩:২১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এখনও কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তাই চিকিৎসকরা বিভিন্ন রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ বিবেচনায় অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করছেন চিকিৎসকরা।

তবে এ নিয়ে আশঙ্কার কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ প্রয়োগে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটির দাবি করেছে, অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে চলমান এই সংকটে ও পরবর্তী সময়ে অধিক মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সোমবার জানান, সাধারণত ব্যাকটেরিয়াজাত সংক্রমণ দমনে যেসব ওষুধ ব্যবহৃত হয় সেসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকতে সক্ষম ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ‘উদ্বেগজনক হারে’ বেড়ে গেছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস সংকটে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

এ ব্যাপারে জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে তেদ্রোস আধানম বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার হার বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে চলমান এই মহামারির সময় এবং এর পরে রোগ ও মৃত্যুর বোঝা বাড়াবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত খুব কম রোগীর ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের দরকার পড়ে। কাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা যাবে এ ব্যাপারে একটি নির্দেশনাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকার ক্ষমতাকে প্রতিরোধ করা বর্তমান সময়ের ‘অন্যতম জরুরি চ্যালেঞ্জ’ বলে উল্লেখ করেছেন তেদ্রোস আধানম- এটা পরিষ্কার যে, বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।