ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কেটিং অথরাইজেশনের আগে করোনার ওষুধ বাজারজাত নয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ নিজেদের উৎপাদিত ইনজেকশন ‘রেমডেসিভির’ বাজারজাত করতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে। তবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, তাদের মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রাপ্তির আগে এই ওষুধ বাজারজাত করা যাবে না।

শনিবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

এসকেএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, করোনার চিকিৎসায় দেশে রেমডেসিভির প্রথম উৎপাদন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক মেসার্স এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডসহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠানকে রেমডেসিভির ইনজেকশন উৎপাদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল মৌখিকভাবে অবহিত করেছে যে, তারা রেমডেসিভির ইনজেকশনটি উৎপাদন করেছে এবং তাদের ল্যাবরেটরিতে এটির পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের কার্যক্রম চলমান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসকেএফ অদ্যাবধি নিয়মানুযায়ী তাদের উৎপাদিত রেমডেসিভির ইনজেকশনের নমুনা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীন ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে দাখিল করেনি। তারা মৌখিকভাবে জানিয়েছে যে, ১০ মে ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে ওই নমুনা দাখিল করবে। ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি কর্তৃক প্রেরণকৃত নমুনার পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক পাওয়া গেলে সেটির অনুকূলে বাজারজাতকরণের জন্য মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রদান করা হবে। মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রাপ্তির পরই প্রতিষ্ঠানটি ওই ওষুধটি বাজারজাত করতে পারবে।

এর আগে শুক্রবার এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড জানায়, বিশ্বে করোনাভাইরাসের একমাত্র কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত জেনেরিক রেমডেসিভির উৎপাদনের সব ধাপ তারা সম্পন্ন করেছে। ৮ মে থেকেই ওষুধটি বাজারজাত করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এদিকে দেশের আরেকটি বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বেক্সিমকো’দেশে প্রথম করোনার ওষুধ উৎপাদনের খবরটাকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। তারা বলছে, বেক্সিমকো প্রথম দেশে এই জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করেছে। শুধু তাই নয়, তারা প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে পরীক্ষা ও অনুমোদনের জন্য এই জেনিরিক ওষুধের চূড়ান্ত নমুনা জমা দিয়েছে। গত ৭ মে এটি জমা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কেটিং অথরাইজেশনের আগে করোনার ওষুধ বাজারজাত নয়

আপডেট সময় ১০:১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ নিজেদের উৎপাদিত ইনজেকশন ‘রেমডেসিভির’ বাজারজাত করতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে। তবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, তাদের মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রাপ্তির আগে এই ওষুধ বাজারজাত করা যাবে না।

শনিবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

এসকেএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, করোনার চিকিৎসায় দেশে রেমডেসিভির প্রথম উৎপাদন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক মেসার্স এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডসহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠানকে রেমডেসিভির ইনজেকশন উৎপাদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল মৌখিকভাবে অবহিত করেছে যে, তারা রেমডেসিভির ইনজেকশনটি উৎপাদন করেছে এবং তাদের ল্যাবরেটরিতে এটির পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের কার্যক্রম চলমান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসকেএফ অদ্যাবধি নিয়মানুযায়ী তাদের উৎপাদিত রেমডেসিভির ইনজেকশনের নমুনা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীন ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে দাখিল করেনি। তারা মৌখিকভাবে জানিয়েছে যে, ১০ মে ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে ওই নমুনা দাখিল করবে। ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি কর্তৃক প্রেরণকৃত নমুনার পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক পাওয়া গেলে সেটির অনুকূলে বাজারজাতকরণের জন্য মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রদান করা হবে। মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রাপ্তির পরই প্রতিষ্ঠানটি ওই ওষুধটি বাজারজাত করতে পারবে।

এর আগে শুক্রবার এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড জানায়, বিশ্বে করোনাভাইরাসের একমাত্র কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত জেনেরিক রেমডেসিভির উৎপাদনের সব ধাপ তারা সম্পন্ন করেছে। ৮ মে থেকেই ওষুধটি বাজারজাত করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এদিকে দেশের আরেকটি বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বেক্সিমকো’দেশে প্রথম করোনার ওষুধ উৎপাদনের খবরটাকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। তারা বলছে, বেক্সিমকো প্রথম দেশে এই জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করেছে। শুধু তাই নয়, তারা প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে পরীক্ষা ও অনুমোদনের জন্য এই জেনিরিক ওষুধের চূড়ান্ত নমুনা জমা দিয়েছে। গত ৭ মে এটি জমা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল।