ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চট্টগ্রামে স্টারশিপ কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন, আহত ১১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামে আবুল খায়ের গ্রুপের মালিকানাধীন স্টারশিপ কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরে আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১১ জন আহত হন। তবে এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেউ ভর্তি হননি বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকার এ কারখানার ভেতরের একটি কক্ষে প্রথমে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও আবুল খায়ের গ্রুপের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই কক্ষে তরলজাত পণ্যের জন্য ব্যবহৃত বোতল তৈরি করা হতো।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান জানান, কারখানায় আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বায়েজিদসহ চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে

যায়। দুপুর প্রায় ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই কারখানা কর্তৃপক্ষ আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার ভেতরে যন্ত্রপাতি-সংক্রান্ত কোনো কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

আবুল খায়ের গ্রুপের উপমহাব্যবস্থাপক ইমরুল কাদের ভূঁইয়া জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে। আহতদের গ্রুপের নিজস্ব হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে আটজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন, তিনজন এখনও চিকিৎসাধীন। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এটি কোনো বয়লার বিস্ফোরণ ছিল না। সামাজিক মাধ্যমে বয়লার বিস্ফোরণের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা ভুল।

এদিকে কারখানার শ্রমিকরা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দেশের অন্যান্য কারখানা বন্ধ থাকলেও স্টারশিপ কারখানাটি খোলা ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩২ কেজির কামানের গোলা নাকি মদের বোতল? চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাগ্‌যুদ্ধ

চট্টগ্রামে স্টারশিপ কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন, আহত ১১

আপডেট সময় ১০:০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামে আবুল খায়ের গ্রুপের মালিকানাধীন স্টারশিপ কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরে আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১১ জন আহত হন। তবে এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেউ ভর্তি হননি বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকার এ কারখানার ভেতরের একটি কক্ষে প্রথমে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও আবুল খায়ের গ্রুপের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই কক্ষে তরলজাত পণ্যের জন্য ব্যবহৃত বোতল তৈরি করা হতো।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান জানান, কারখানায় আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বায়েজিদসহ চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে

যায়। দুপুর প্রায় ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই কারখানা কর্তৃপক্ষ আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার ভেতরে যন্ত্রপাতি-সংক্রান্ত কোনো কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

আবুল খায়ের গ্রুপের উপমহাব্যবস্থাপক ইমরুল কাদের ভূঁইয়া জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে। আহতদের গ্রুপের নিজস্ব হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে আটজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন, তিনজন এখনও চিকিৎসাধীন। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এটি কোনো বয়লার বিস্ফোরণ ছিল না। সামাজিক মাধ্যমে বয়লার বিস্ফোরণের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা ভুল।

এদিকে কারখানার শ্রমিকরা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দেশের অন্যান্য কারখানা বন্ধ থাকলেও স্টারশিপ কারখানাটি খোলা ছিল।