ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

করোনাভাইরাস: গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক বেশি কার্যকর

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় ব্যবহার করা হয়।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড় মাস্কের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই মাস্ক ব্যবহারে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ।

অধ্যাপক তাহের সাইফ তার দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা পরিচালনা করেন। ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন- বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।

‘শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে নির্গত জলকনার (ড্রপলেটস) মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে হাতে বানানো মাস্কের কাপড়ের কার্যকারিতা সমীক্ষা’ শিরোনামের এই গবেষণাপত্র ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ওয়েবসাইটে (www.medrxiv.org)।

ইয়েল ইউনিভার্সিটি করোনা সংক্রমণ সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলো সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে।

অধ্যাপক তাহের সাইফ বলেন, মাস্ক ব্যবহার ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। মাস্কের মূল কাজটা হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে থুতু বা শরীর থেকে যে ড্রপলেটস বের হয়ে আসে তা ঠেকানো। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস যাতে নেয়া যায় সে ব্যবস্থা রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত মার্চ মাসের শেষদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই গবেষণা শুরু করি। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেন তিনি। স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে সামনে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক।

তাহের সাইফ বলেন, ড্রপলেটস আটকাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে কার্যকর। গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফলা পাওয়া গেছে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, গেঞ্জির কাপড় এক স্তর ৪০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। কিন্তু দুই স্তর কাপড় দিলে এটি ৯৮ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। সহজে শ্বাসও নেয়া যায়। অন্যদিকে সার্জিক্যাল মাস্ক ড্রপলেটস আটকাতে পারে ৯৬ শতাংশ। এটি শুধু একবারই ব্যবহার করা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনাভাইরাস: গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক বেশি কার্যকর

আপডেট সময় ১০:১৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় ব্যবহার করা হয়।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড় মাস্কের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই মাস্ক ব্যবহারে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ।

অধ্যাপক তাহের সাইফ তার দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা পরিচালনা করেন। ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন- বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।

‘শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে নির্গত জলকনার (ড্রপলেটস) মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে হাতে বানানো মাস্কের কাপড়ের কার্যকারিতা সমীক্ষা’ শিরোনামের এই গবেষণাপত্র ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ওয়েবসাইটে (www.medrxiv.org)।

ইয়েল ইউনিভার্সিটি করোনা সংক্রমণ সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলো সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে।

অধ্যাপক তাহের সাইফ বলেন, মাস্ক ব্যবহার ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। মাস্কের মূল কাজটা হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে থুতু বা শরীর থেকে যে ড্রপলেটস বের হয়ে আসে তা ঠেকানো। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস যাতে নেয়া যায় সে ব্যবস্থা রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত মার্চ মাসের শেষদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই গবেষণা শুরু করি। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেন তিনি। স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে সামনে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক।

তাহের সাইফ বলেন, ড্রপলেটস আটকাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে কার্যকর। গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফলা পাওয়া গেছে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, গেঞ্জির কাপড় এক স্তর ৪০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। কিন্তু দুই স্তর কাপড় দিলে এটি ৯৮ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। সহজে শ্বাসও নেয়া যায়। অন্যদিকে সার্জিক্যাল মাস্ক ড্রপলেটস আটকাতে পারে ৯৬ শতাংশ। এটি শুধু একবারই ব্যবহার করা যায়।