ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনাভাইরাস: বদ্ধ ঘরও বিপদ বাড়ায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বেশিরভাগ মানুষ এখন ঘরবন্দি। তবে বদ্ধ ঘরেও আছে বিপদ। চীনের নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, বদ্ধ ঘরে এই ভাইরাস অনেকক্ষণ টিকে থাকতে পারে ও বাড়াতে পারে সংক্রমণের আশঙ্কা। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার সাময়িকীতে।

চীনের উহানে হাসপাতালের শৌচাগারে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের জেনেটিক বস্তু বাতাসে ভেসে রয়েছে। তখন গবেষকদের মনে প্রশ্ন জাগে– বাতাসে ভাসমান যে কোনো ক্ষুদ্র কণার সঙ্গে এই ভাইরাস কী দূরে যেতে পারে?

হাঁচি-কাশি, কথা বলার সময় থুতু কণা বা ড্রপলেট ছিটকে বের হয়। বড় বলে বাতাসে ভেসে ড্রপলেট বেশি দূরে যেতে পারে না। তাই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা প্রথম থেকেই চিকিৎসকরা বলে আসছেন।

তবে ড্রপলেটের চেয়েও ছোট যে কণা বা এরোসল বাতাসে ভেসে থাকে, তা দিয়েও কি ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস?

এরোসল আকারে ১ মাইক্রন বা মাইক্রোমিটারের (১ মিটারের ১০ লাখ ভাগের এক ভাগ) চেয়ে ছোট বলে বাতাসে ভেসে দূর-দূরান্তে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, কোথাও বাতাসবাহিত সংক্রমণের তথ্য তারা পায়নি। কিন্তু লকডাউন ও অন্য সতর্কতা সত্ত্বেও সংক্রমণ হচ্ছে।

তা হলে সংক্রমণ কীভাবে ঘটছে- সেটি আরও ঠিকভাবে জানাটা জরুরি। এ জন্য উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী কে লানের নেতৃত্বে এক দল গবেষক দুটি হাসপাতালে পরীক্ষা চালান। তাতে এই সন্দেহ আরও জোরদার হয় যে, রোগটা বাতাসবাহিত হতেও পারে। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

লানের বিজ্ঞানী দলটির গবেষণায় পাওয়া যায়, হাসপাতাল দুটির ওয়ার্ড, আশপাশের সুপারমার্কেট বা আবাসনে যে এরোসল মিলেছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি পাওয়া গেছে শৌচালয়ে ও ভিড় হয় এমন দুটি স্থানে ও বদ্ধ ঘরে।

বিশেষ করে চিকিৎসাকর্মীরা যেখানে তাদের ব্যবহৃত সুরক্ষা সরঞ্জামগুলো খুলে রাখেন, সেখান থেকে বায়ুবাহিত এরোসল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি। সেগুলো রোগ ছড়ায় বা ছড়িয়েছে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও ভিড়ে বা বদ্ধ ঘরে থাকা যে বিপজ্জনক, সেটি স্পষ্টভাবেই জানা গেছে ওই পরীক্ষায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনাভাইরাস: বদ্ধ ঘরও বিপদ বাড়ায়

আপডেট সময় ১০:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বেশিরভাগ মানুষ এখন ঘরবন্দি। তবে বদ্ধ ঘরেও আছে বিপদ। চীনের নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, বদ্ধ ঘরে এই ভাইরাস অনেকক্ষণ টিকে থাকতে পারে ও বাড়াতে পারে সংক্রমণের আশঙ্কা। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার সাময়িকীতে।

চীনের উহানে হাসপাতালের শৌচাগারে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের জেনেটিক বস্তু বাতাসে ভেসে রয়েছে। তখন গবেষকদের মনে প্রশ্ন জাগে– বাতাসে ভাসমান যে কোনো ক্ষুদ্র কণার সঙ্গে এই ভাইরাস কী দূরে যেতে পারে?

হাঁচি-কাশি, কথা বলার সময় থুতু কণা বা ড্রপলেট ছিটকে বের হয়। বড় বলে বাতাসে ভেসে ড্রপলেট বেশি দূরে যেতে পারে না। তাই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা প্রথম থেকেই চিকিৎসকরা বলে আসছেন।

তবে ড্রপলেটের চেয়েও ছোট যে কণা বা এরোসল বাতাসে ভেসে থাকে, তা দিয়েও কি ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস?

এরোসল আকারে ১ মাইক্রন বা মাইক্রোমিটারের (১ মিটারের ১০ লাখ ভাগের এক ভাগ) চেয়ে ছোট বলে বাতাসে ভেসে দূর-দূরান্তে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, কোথাও বাতাসবাহিত সংক্রমণের তথ্য তারা পায়নি। কিন্তু লকডাউন ও অন্য সতর্কতা সত্ত্বেও সংক্রমণ হচ্ছে।

তা হলে সংক্রমণ কীভাবে ঘটছে- সেটি আরও ঠিকভাবে জানাটা জরুরি। এ জন্য উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী কে লানের নেতৃত্বে এক দল গবেষক দুটি হাসপাতালে পরীক্ষা চালান। তাতে এই সন্দেহ আরও জোরদার হয় যে, রোগটা বাতাসবাহিত হতেও পারে। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

লানের বিজ্ঞানী দলটির গবেষণায় পাওয়া যায়, হাসপাতাল দুটির ওয়ার্ড, আশপাশের সুপারমার্কেট বা আবাসনে যে এরোসল মিলেছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি পাওয়া গেছে শৌচালয়ে ও ভিড় হয় এমন দুটি স্থানে ও বদ্ধ ঘরে।

বিশেষ করে চিকিৎসাকর্মীরা যেখানে তাদের ব্যবহৃত সুরক্ষা সরঞ্জামগুলো খুলে রাখেন, সেখান থেকে বায়ুবাহিত এরোসল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি। সেগুলো রোগ ছড়ায় বা ছড়িয়েছে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও ভিড়ে বা বদ্ধ ঘরে থাকা যে বিপজ্জনক, সেটি স্পষ্টভাবেই জানা গেছে ওই পরীক্ষায়।