ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে এতদিন বন্ধ ছিল যাত্রী পারাপার। জরুরি প্রয়োজনে শুধুমাত্র ছোট কয়েকটি ফেরি চলাচল করছিল। তবে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে সাতটি ফেরি চলাচল শুরু করেছে। জরুরি পরিবহনের পাশাপাশি এসব ফেরিতে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। যাত্রীরা জানায়, গার্মেন্টস খোলার কারণে তারা ঢাকায় যাচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রায় এক মাস ধরেই নৌরুটে শুধু জরুরি পরিবহন পারাপারের জন্য কয়েকটি ফেরি চালু ছিল। ঘাটে কোনো যাত্রী ছিল না। রোববার সকালে কিছু কিছু যাত্রী ঘাটে আসতে শুরু করে। যারা গার্মেন্টসে কাজ করে। সকাল থেকে সাতটি ফেরি চলছে। তাতে পরিবহনের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও পার হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শুরু থেকেই লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিকল্প উপায়ে তখন যাত্রীরা ট্রলারে করে পার হলেও পরবর্তীতে প্রশাসন কঠোর হলে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে রোববার ‘গার্মেন্টস খুলবে’ এমন খবরে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে ভিড় করে যাত্রীরা। ফেরিতে করে পার হয় পদ্মা। তবে মহাসড়কে পরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট গাড়িতে ভেঙে ভেঙে তাদের কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে পৌঁছাতে হয়।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লকডাউন শুরু হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ি ফিরে আসি তখন। কিন্তু এভাবে কতদিন আর থাকা যায়। কারখানা খুলবে বলে শুনেছি। তাই ঢাকা যেতে হচ্ছে। তবে অনেক কষ্ট করে ঘাটে আসতে হয়েছে। গাড়ি নাই। ছোট গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আসতে হয়েছে।

ভাঙা থেকে আসা যাত্রী আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, হকারি করতাম। খেলনাসহ নানা জিনিস বেচতাম। ব্যবসা বন্ধ। রোগের ভয়ে বাড়ি চলে আসছিলাম। এখন দেখি প্যাট চলে না। কামাই ছাড়া কয়দিন থাকা যায়? এবার ঢাকায় যাইয়া তরকারি বেচুম।

কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাট সূত্র জানায়, ডাম্প ও ছোট ফেরি মিলিয়ে সাতটি ফেরি সকাল থেকে চলছে। পণ্যবাহী পরিবহনের পাশাপাশি যাত্রীরাও রয়েছে। তবে যাত্রীদের খুব বেশি চাপ নেই। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাত্রীরা ঘাটে আসছে।

বিআইড‌ব্লিউ‌টি‌সির কাঁঠালবা‌ড়ি ঘা‌টের ব্যবস্থাপক আবদুল আলীম জা‌নান, সী‌মিত আকারে ফেরি চালু আ‌ছে। ঘা‌টে দুপু‌রের দি‌ক থে‌কে কিছু যাত্রীদের দেখা গে‌ছে। এততোদিন ঘাট যাত্রীশূন্য ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

আপডেট সময় ০৪:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে এতদিন বন্ধ ছিল যাত্রী পারাপার। জরুরি প্রয়োজনে শুধুমাত্র ছোট কয়েকটি ফেরি চলাচল করছিল। তবে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে সাতটি ফেরি চলাচল শুরু করেছে। জরুরি পরিবহনের পাশাপাশি এসব ফেরিতে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। যাত্রীরা জানায়, গার্মেন্টস খোলার কারণে তারা ঢাকায় যাচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রায় এক মাস ধরেই নৌরুটে শুধু জরুরি পরিবহন পারাপারের জন্য কয়েকটি ফেরি চালু ছিল। ঘাটে কোনো যাত্রী ছিল না। রোববার সকালে কিছু কিছু যাত্রী ঘাটে আসতে শুরু করে। যারা গার্মেন্টসে কাজ করে। সকাল থেকে সাতটি ফেরি চলছে। তাতে পরিবহনের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও পার হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শুরু থেকেই লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিকল্প উপায়ে তখন যাত্রীরা ট্রলারে করে পার হলেও পরবর্তীতে প্রশাসন কঠোর হলে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে রোববার ‘গার্মেন্টস খুলবে’ এমন খবরে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে ভিড় করে যাত্রীরা। ফেরিতে করে পার হয় পদ্মা। তবে মহাসড়কে পরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট গাড়িতে ভেঙে ভেঙে তাদের কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে পৌঁছাতে হয়।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লকডাউন শুরু হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ি ফিরে আসি তখন। কিন্তু এভাবে কতদিন আর থাকা যায়। কারখানা খুলবে বলে শুনেছি। তাই ঢাকা যেতে হচ্ছে। তবে অনেক কষ্ট করে ঘাটে আসতে হয়েছে। গাড়ি নাই। ছোট গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আসতে হয়েছে।

ভাঙা থেকে আসা যাত্রী আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, হকারি করতাম। খেলনাসহ নানা জিনিস বেচতাম। ব্যবসা বন্ধ। রোগের ভয়ে বাড়ি চলে আসছিলাম। এখন দেখি প্যাট চলে না। কামাই ছাড়া কয়দিন থাকা যায়? এবার ঢাকায় যাইয়া তরকারি বেচুম।

কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাট সূত্র জানায়, ডাম্প ও ছোট ফেরি মিলিয়ে সাতটি ফেরি সকাল থেকে চলছে। পণ্যবাহী পরিবহনের পাশাপাশি যাত্রীরাও রয়েছে। তবে যাত্রীদের খুব বেশি চাপ নেই। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাত্রীরা ঘাটে আসছে।

বিআইড‌ব্লিউ‌টি‌সির কাঁঠালবা‌ড়ি ঘা‌টের ব্যবস্থাপক আবদুল আলীম জা‌নান, সী‌মিত আকারে ফেরি চালু আ‌ছে। ঘা‌টে দুপু‌রের দি‌ক থে‌কে কিছু যাত্রীদের দেখা গে‌ছে। এততোদিন ঘাট যাত্রীশূন্য ছিল।