ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সবাই মিলে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সবাই মিলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে আবারো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার পর বাংলাদেশও এ ধরনের হামলা হতে পারে বলে একটি গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর মতো অবস্থা জঙ্গিদের নেই। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-আইএস। সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপস টেলিগ্রামের একটি চ্যানেলে বাংলায় লেখা ‘শীঘ্রই আসছি’ শিরোনামে একটি পোস্টারে হামলার এই হুমকি দেয় আইএস। এই হুমকির পর প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে নতুন করে আহ্বান জানান।

খেলাধুলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবারই খেলাধুলায় সম্পৃক্ত’ ‘খেলাধুলায় হারজিত থাকবেই। এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। আজ হারলে কাল জিতব— এই কথা মনে রাখতে হবে। জাতির পিতা নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলেছিলেন, সবক্ষেত্রেই হার না মানা একটি মনোভাব ছিল তার। যে কারণে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমার দাদা ফুটবল খেলতেন। বাবাও ফুটবল খেলতেন। আমার দুই ভাই, শেখ কামাল ও শেখ জামাল— তারা দুজনেই খেলাধুলা পছন্দ করত। কামালের স্ত্রী সুলতানা, সে খেলোয়াড় হিসেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্লু’ছিল। জামালের স্ত্রী, সেও খেলাধুলায় ছিল। আমাদের পুরো পরিবারই খেলাধুলায় সম্পৃক্ত ছিলাম।’

খেলাধুলার উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্য খাতের মতো খেলাধুলাতেও নজর দিই। তবে ওই মেয়াদে অনেক কাজ আমরা শুরু করেও শেষ করতে পারিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আমরা আবার সেগুলো শেষ করেছি।’

এসময় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ বিশ্ববিদ্যালয়কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাকি দলগুলোকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সবাই মিলে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:১৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সবাই মিলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে আবারো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার পর বাংলাদেশও এ ধরনের হামলা হতে পারে বলে একটি গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর মতো অবস্থা জঙ্গিদের নেই। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-আইএস। সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপস টেলিগ্রামের একটি চ্যানেলে বাংলায় লেখা ‘শীঘ্রই আসছি’ শিরোনামে একটি পোস্টারে হামলার এই হুমকি দেয় আইএস। এই হুমকির পর প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে নতুন করে আহ্বান জানান।

খেলাধুলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবারই খেলাধুলায় সম্পৃক্ত’ ‘খেলাধুলায় হারজিত থাকবেই। এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। আজ হারলে কাল জিতব— এই কথা মনে রাখতে হবে। জাতির পিতা নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলেছিলেন, সবক্ষেত্রেই হার না মানা একটি মনোভাব ছিল তার। যে কারণে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমার দাদা ফুটবল খেলতেন। বাবাও ফুটবল খেলতেন। আমার দুই ভাই, শেখ কামাল ও শেখ জামাল— তারা দুজনেই খেলাধুলা পছন্দ করত। কামালের স্ত্রী সুলতানা, সে খেলোয়াড় হিসেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্লু’ছিল। জামালের স্ত্রী, সেও খেলাধুলায় ছিল। আমাদের পুরো পরিবারই খেলাধুলায় সম্পৃক্ত ছিলাম।’

খেলাধুলার উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্য খাতের মতো খেলাধুলাতেও নজর দিই। তবে ওই মেয়াদে অনেক কাজ আমরা শুরু করেও শেষ করতে পারিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আমরা আবার সেগুলো শেষ করেছি।’

এসময় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ বিশ্ববিদ্যালয়কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাকি দলগুলোকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।