ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।