ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকের কাজ তথ্য দেওয়া, অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নওগাঁর ছাত্রাবাসে মিললো কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে: রিজভী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কেন অনশন ভাঙলেন, জানালেন সোনম ওয়াংচুক

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকের কাজ তথ্য দেওয়া, অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।