ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।