ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো—

বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে—

দোয়া:

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন—

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১)

তাসবিহ:

‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো—

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন।