ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে’: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন চুক্তি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে অনেক ভালো হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় হওয়া ওই পারমাণবিক চুক্তিকে তিনি আবারও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যে চুক্তি করছি, তা ‘জেসিপিওএ’ (দ্য জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন) —যা ‘ইরান নিউক্লিয়ার ডিল’ নামে পরিচিত—তার চেয়ে অনেক ভালো হবে।’

তিনি আরও বলেন, এটি ছিল ‘আমাদের দেশের নিরাপত্তার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ চুক্তিগুলোর একটি’, যা বারাক হুসেইন ওবামা ও ‘স্লিপি জো’ বাইডেন সম্পাদন করেছিলেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের প্রস্তাবিত চুক্তি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা এবং অতীতে আর্থিক লেনদেনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন এবং ইঙ্গিত দেন, তার অধীনে যে কোনো চুক্তির কাঠামো ও ফলাফল ভিন্ন হবে।

সিএনএন শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে, যা ওবামা আমলের চুক্তিতে অনুমোদিত অর্থের তুলনায় অনেক বেশি।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওই চুক্তি ছিল একটি নিশ্চিত পথ, যা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল—যা আমাদের বর্তমান চুক্তিতে কখনোই ঘটবে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘ইরানকে শত শত বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল। আমি যদি সেই চুক্তি বাতিল না করতাম, তাহলে ইসরাইলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে, এমনকি আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার হতো।’

২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের সময় ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা। এ চুক্তির আওতায় ইরান সেন্ট্রিফিউজ ও ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে সম্মত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়।

তবে ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন এবং পুনরায় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর আগে জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থা জানায়, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলছিল এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে’: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন চুক্তি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে অনেক ভালো হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় হওয়া ওই পারমাণবিক চুক্তিকে তিনি আবারও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যে চুক্তি করছি, তা ‘জেসিপিওএ’ (দ্য জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন) —যা ‘ইরান নিউক্লিয়ার ডিল’ নামে পরিচিত—তার চেয়ে অনেক ভালো হবে।’

তিনি আরও বলেন, এটি ছিল ‘আমাদের দেশের নিরাপত্তার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ চুক্তিগুলোর একটি’, যা বারাক হুসেইন ওবামা ও ‘স্লিপি জো’ বাইডেন সম্পাদন করেছিলেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের প্রস্তাবিত চুক্তি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা এবং অতীতে আর্থিক লেনদেনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন এবং ইঙ্গিত দেন, তার অধীনে যে কোনো চুক্তির কাঠামো ও ফলাফল ভিন্ন হবে।

সিএনএন শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে, যা ওবামা আমলের চুক্তিতে অনুমোদিত অর্থের তুলনায় অনেক বেশি।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওই চুক্তি ছিল একটি নিশ্চিত পথ, যা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল—যা আমাদের বর্তমান চুক্তিতে কখনোই ঘটবে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘ইরানকে শত শত বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল। আমি যদি সেই চুক্তি বাতিল না করতাম, তাহলে ইসরাইলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে, এমনকি আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার হতো।’

২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের সময় ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা। এ চুক্তির আওতায় ইরান সেন্ট্রিফিউজ ও ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে সম্মত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়।

তবে ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন এবং পুনরায় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর আগে জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থা জানায়, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলছিল এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।