ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দু-একদিনের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ২০ দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আগামী দু-একদিনের মধ্যে আসছে বলে জানিয়েছেন শরিক দল এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

এর আগে শনিবার বিকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না-যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

পরে সন্ধ্যায় শুরু হয় ২০ দলীয় জোটের স্থগিত বৈঠক। ৭টায় শুরু হয়ে এ বৈঠক চলে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তাকে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে জোটের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করবেন।

সেই বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্ত সন্ধ্যায় ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অবহিত করা হয়। এ সময় জোটের বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে শরিকরা মতামত তুলে ধরেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্যদের প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থতার কারণে বৈঠক চলাকালে বেরিয়ে যান।

পরে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিজেপির ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপির ড. রেদওয়ান আহমেদ, জামায়াতের মাওলানা আব্দুল হালিম, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার, খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইসহাক, জাগপার ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, লেবার পার্টির ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ডিএল’র সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মাইনোরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডল, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব, ন্যাপের চেয়ারম্যান শাওন সাদেকী প্রমুখ।

বৈঠকের শেষপর্যায়ে অংশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শরিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, গণতান্ত্রিকপন্থায় আইনের যে পথগুলো আছে তাদেরকে সেদিকেই যেতে হবে।

বৈঠক শেষে জোটের শীর্ষ নেতা কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, তাদের আন্দোলন অব্যাহত আছে। নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। দু-একদিনের মধ্যে ২০ দল, মূল দল বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা করে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি হলো আমাদের প্রাধান্য। তাকে মুক্ত করতে হবে। তাহলে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসবে। এখন পর্যন্ত বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীকে গত দুদিনে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ না করা পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে আমাদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারব না।

অলি বলেন, যদি আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। তাহলে অনেকে তারা দলীয় প্রতীকে অংশগ্রহণ করব, অনেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করব।

২০ দলীয় জোট নির্বাচনে যাবে বলে গণমাধ্যমের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে অলি আহমেদ বলেন, আমরা এমন কথা গণমাধ্যমে বলিনি। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে অনৈতিক কাজ করেছে।

তিনি বলেন, এই যে সরকার বলছে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আসলে তা কাগজে কলমে আর পত্রিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এখন পর্যন্ত সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। এটা সরকারের দায়িত্ব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দু-একদিনের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ২০ দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আগামী দু-একদিনের মধ্যে আসছে বলে জানিয়েছেন শরিক দল এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

এর আগে শনিবার বিকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না-যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

পরে সন্ধ্যায় শুরু হয় ২০ দলীয় জোটের স্থগিত বৈঠক। ৭টায় শুরু হয়ে এ বৈঠক চলে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তাকে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে জোটের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করবেন।

সেই বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্ত সন্ধ্যায় ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অবহিত করা হয়। এ সময় জোটের বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে শরিকরা মতামত তুলে ধরেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্যদের প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থতার কারণে বৈঠক চলাকালে বেরিয়ে যান।

পরে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিজেপির ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপির ড. রেদওয়ান আহমেদ, জামায়াতের মাওলানা আব্দুল হালিম, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার, খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইসহাক, জাগপার ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, লেবার পার্টির ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ডিএল’র সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মাইনোরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডল, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব, ন্যাপের চেয়ারম্যান শাওন সাদেকী প্রমুখ।

বৈঠকের শেষপর্যায়ে অংশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শরিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, গণতান্ত্রিকপন্থায় আইনের যে পথগুলো আছে তাদেরকে সেদিকেই যেতে হবে।

বৈঠক শেষে জোটের শীর্ষ নেতা কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, তাদের আন্দোলন অব্যাহত আছে। নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। দু-একদিনের মধ্যে ২০ দল, মূল দল বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা করে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি হলো আমাদের প্রাধান্য। তাকে মুক্ত করতে হবে। তাহলে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসবে। এখন পর্যন্ত বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীকে গত দুদিনে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ না করা পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে আমাদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারব না।

অলি বলেন, যদি আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। তাহলে অনেকে তারা দলীয় প্রতীকে অংশগ্রহণ করব, অনেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করব।

২০ দলীয় জোট নির্বাচনে যাবে বলে গণমাধ্যমের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে অলি আহমেদ বলেন, আমরা এমন কথা গণমাধ্যমে বলিনি। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে অনৈতিক কাজ করেছে।

তিনি বলেন, এই যে সরকার বলছে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আসলে তা কাগজে কলমে আর পত্রিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এখন পর্যন্ত সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। এটা সরকারের দায়িত্ব।