ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

রাজশাহীতে একই অটোরিকশা পরপর দুইদিন চলবে না

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার জট কমাতে নতুন একটি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শহরে একই অটোরিকশা পরপর দুই দিন চলতে পারবে না। ফলে কমবে অটোজট। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।

আরএমপির কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অচিরেই তিনি এ নিয়ে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বসবেন। তারপর শহরের সব অটোরিকশাগুলোকে দুটি আলাদা আলাদা রঙ করে দেয়া হবে। একদিন যে রঙের অটোরিকশা চলবে পরদিন সেই রঙের অটোরিকশা চলতে পারবে না।

জাতীয় সড়ক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে রাজশাহী মহানগরীর যানজট কমাতে প্রশাসনের কাছে অটোরিকশা রঙ করার এই পরামর্শ দেন জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির আবুল কালাম আজাদ।

পরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার তার পরামর্শ মেনে নেন। বলেন, এটি খুবই কার্যকর একটি পরামর্শ। চালক, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে কথা বলে তারা দ্রুত এটি করতে চান। আরএমপির ট্রাফিক বিভাগ যে কোনো এক রঙের অটোরিকশা চলাচল নিশ্চিত করবে।

একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, নগরীতে এখন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক গুণ বেশি অটোরিকশা। এতে যানজট যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে দুর্ঘটনা। তাই একদিন যে কেনো এক রঙের অটোরিকশা চলবে। প্রতিটি অটোরিকশা চলবে একদিন পরপর। এতে শহরে অটোরিকশার চাপ কমবে। আর অটোরিকশার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে চালকরা একদিনেই আগের দুই দিনের চেয়ে বেশি টাকা রোজগার করতে পারবেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বলেই মনে করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেলের সহায়তায় সোমবার সকালে নগরীর একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁয় এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান।

তিনি বলেন, অনেকেই আছেন খুব সচেতনভাবে আইন লঙ্ঘন করেন। শুধু চালকদের দোষ দিলে হবে না। পথচারীদেরও দোষ আছে। জেব্রা ক্রসিং-ফুটপাত দিয়ে না হেঁটে সড়কের অন্য স্থান দিয়ে পারাপার হতে দেখলে প্রয়োজনে হাত টেনে ধরতে হবে।

এর পাশাপাশি গাড়ি বের করার আগে যান্ত্রিক ত্রুটি আছে কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। তাহলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন, আরএকমপির উপ-কমিশনার আমীর জাফর, জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী সামসুজ্জোহা, বিআরটিএ’র রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক শেখ আশফাকুর রহমান ও নিরাপদ সড়ক চাই এর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহসান টিটু।

সভায় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের সভায় সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আরএমপির ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম, বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক এএসএম কামরুল হাসান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য লিয়াকত আলী, সাদরুল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে সকালে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি আলোচনা সভা স্থলে গিয়ে শেষ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

রাজশাহীতে একই অটোরিকশা পরপর দুইদিন চলবে না

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার জট কমাতে নতুন একটি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শহরে একই অটোরিকশা পরপর দুই দিন চলতে পারবে না। ফলে কমবে অটোজট। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।

আরএমপির কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অচিরেই তিনি এ নিয়ে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বসবেন। তারপর শহরের সব অটোরিকশাগুলোকে দুটি আলাদা আলাদা রঙ করে দেয়া হবে। একদিন যে রঙের অটোরিকশা চলবে পরদিন সেই রঙের অটোরিকশা চলতে পারবে না।

জাতীয় সড়ক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে রাজশাহী মহানগরীর যানজট কমাতে প্রশাসনের কাছে অটোরিকশা রঙ করার এই পরামর্শ দেন জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির আবুল কালাম আজাদ।

পরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার তার পরামর্শ মেনে নেন। বলেন, এটি খুবই কার্যকর একটি পরামর্শ। চালক, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে কথা বলে তারা দ্রুত এটি করতে চান। আরএমপির ট্রাফিক বিভাগ যে কোনো এক রঙের অটোরিকশা চলাচল নিশ্চিত করবে।

একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, নগরীতে এখন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক গুণ বেশি অটোরিকশা। এতে যানজট যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে দুর্ঘটনা। তাই একদিন যে কেনো এক রঙের অটোরিকশা চলবে। প্রতিটি অটোরিকশা চলবে একদিন পরপর। এতে শহরে অটোরিকশার চাপ কমবে। আর অটোরিকশার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে চালকরা একদিনেই আগের দুই দিনের চেয়ে বেশি টাকা রোজগার করতে পারবেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বলেই মনে করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেলের সহায়তায় সোমবার সকালে নগরীর একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁয় এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান।

তিনি বলেন, অনেকেই আছেন খুব সচেতনভাবে আইন লঙ্ঘন করেন। শুধু চালকদের দোষ দিলে হবে না। পথচারীদেরও দোষ আছে। জেব্রা ক্রসিং-ফুটপাত দিয়ে না হেঁটে সড়কের অন্য স্থান দিয়ে পারাপার হতে দেখলে প্রয়োজনে হাত টেনে ধরতে হবে।

এর পাশাপাশি গাড়ি বের করার আগে যান্ত্রিক ত্রুটি আছে কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। তাহলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন, আরএকমপির উপ-কমিশনার আমীর জাফর, জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল্লাহ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী সামসুজ্জোহা, বিআরটিএ’র রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক শেখ আশফাকুর রহমান ও নিরাপদ সড়ক চাই এর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহসান টিটু।

সভায় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের সভায় সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আরএমপির ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম, বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক এএসএম কামরুল হাসান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য লিয়াকত আলী, সাদরুল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে সকালে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি আলোচনা সভা স্থলে গিয়ে শেষ হয়।