অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোড়ারগঞ্জ এলাকার ‘জঙ্গি আস্তানা’ চৌধুরী ম্যানশনে নিহত জঙ্গিদের চট্টগ্রাম আদালত ভবনে হামলার টার্গেট ছিল বলে জানিয়েছেন র্যাব-৭ এর অধিনায়ক শাফায়াত জামিল ফাহিম। তিনি বলেছেন, জঙ্গিরা চট্টগ্রামের আদালত ভবনে হামলার টার্গেট করে নগরীর অদূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জোড়ারগঞ্জের চৌধুরী ম্যানসন ভাড়া নিয়েছিলেন।
শুক্রবার অভিযান শেষে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘেরাও করে রাখা ওই বাড়ির ভেতর থেকে দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, তারা দু’জন ‘জঙ্গি’ দলের সদস্য।
শাফায়াত জামিল ফাহিম বলেন, গ্রেনেড বিস্ফোরণের কারণেই ওই দু’জনের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
এছাড়া বাড়িটি থেকে পাঁচটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড,একটি একে-২২ চাইনিজ রাইফেল ও তিনটি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড বাড়ির ভেতরে পাওয়া গেছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, সোহেল নামে এক যুবক ও অপর একজন গত ২৯ সেপ্টেম্বর একতলা ভবনটির ৫টি কক্ষ ভাড়া নেন চারজন থাকবেন জানিয়ে। বাড়ির মালিক মাজহার চৌধুরীকে তারা একজন নারী ও তিনজন পুরুষ থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন।
রাতেই বাড়ির মালিক মাজহার চৌধুরী ও কেয়ারটেকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় র্যাব।
বাড়ির মালিকের বরাত দিয়ে র্যাব আরও জানায়, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় ওই দুই ব্যক্তি চট্টগ্রামের একটি রড নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন বলে নিজেদের পরিচয় দিয়েছিলেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ৩টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্বপাশের চৌধুরী ম্যানশন ঘিরে রাখে র্যাব।এরপর ভোরে অভিযান শুরু হয়। ভোর চারটার দিকে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গিরা ভেতর থেকে গুলি ছোড়েন। র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে বাড়ির ভেতরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























