ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ইজতেমা বাতিল করায় ডিসি কার্যালয়ে আলেমদের অবস্থান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পটুয়াখালী তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমার আদেশ বাতিল করায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আলেমরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাদের দোয়া-মোনাজাত এবং কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। পরে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

পটুয়াখালী তাবলিগ আহলে শুরার সদস্য সৈয়দ রাসেদুল ইসলাম জানান, পটুয়াখালীর পরিত্যক্ত বিমানবন্দরে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা আয়োজন করার লক্ষে তাবলিগ আহলে শুরার পক্ষে হাজি মো. মোশারফ হোসেন গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন।

একই আবেদন এবং এর অনুলিপি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দফতরে দেয়া হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ইজতেমার জন্য আদেশ দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর ১১ শর্ত দিয়ে পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ইজতেমার একটি আদেশ প্রদান করেন।

এ লক্ষে আবেদনকারী ও পটুয়াখালী তাবলিগ আহলে শুরার সদস্যরা ইজতেমার জন্য তিন দিনব্যাপী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে ইজতেমার আদেশ মৌখিকভাবে বাতিল করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান করেন।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হেমায়েত উদ্দিন তাদের শান্ত করে জেলা প্রশাসকের দরবার হলে নিয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হেমায়েত উদ্দিন জানান, তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের আলাপ হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের মতামত প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু অনুমোদন তো দেবেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। তারা কী করেছেন, তা তো আমরা জানি না।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মাছুমুর রহমান জানান, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ইজতেমা বাতিল করায় ডিসি কার্যালয়ে আলেমদের অবস্থান

আপডেট সময় ০৮:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পটুয়াখালী তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমার আদেশ বাতিল করায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আলেমরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাদের দোয়া-মোনাজাত এবং কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। পরে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

পটুয়াখালী তাবলিগ আহলে শুরার সদস্য সৈয়দ রাসেদুল ইসলাম জানান, পটুয়াখালীর পরিত্যক্ত বিমানবন্দরে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা আয়োজন করার লক্ষে তাবলিগ আহলে শুরার পক্ষে হাজি মো. মোশারফ হোসেন গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন।

একই আবেদন এবং এর অনুলিপি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দফতরে দেয়া হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ইজতেমার জন্য আদেশ দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর ১১ শর্ত দিয়ে পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ইজতেমার একটি আদেশ প্রদান করেন।

এ লক্ষে আবেদনকারী ও পটুয়াখালী তাবলিগ আহলে শুরার সদস্যরা ইজতেমার জন্য তিন দিনব্যাপী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে ইজতেমার আদেশ মৌখিকভাবে বাতিল করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান করেন।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হেমায়েত উদ্দিন তাদের শান্ত করে জেলা প্রশাসকের দরবার হলে নিয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হেমায়েত উদ্দিন জানান, তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের আলাপ হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের মতামত প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু অনুমোদন তো দেবেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। তারা কী করেছেন, তা তো আমরা জানি না।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মাছুমুর রহমান জানান, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা চলছে।