অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
‘আশা রেখো মনে দুর্দিনে কভু
নিরাশ হইয়ো না ভাই,
কোনো দিন যাহা পোহাবে না হায়
তেমন রাত্রি নাই। ’
—সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
বাংলা ভাষার দেশে রাজনৈতিক ইতিহাস গৌরবজনক নয়। তবে বিশ শতকে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন (১৯০৫-১১) থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ (১৯৭১) পর্যন্ত কালে একটানা যে গণজাগরণ ও গণ-আন্দোলন গেছে, যে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পরে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘটেছে, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার অপঘাত সত্ত্বেও তা গৌরবজনক। জনগণের মধ্যকার মহৎ মানবিক গুণাবলির প্রকাশ দেখা গেছে তখনকার গণজাগরণে ও রাজনৈতিক আন্দোলনে। গণজাগরণের পটভূমিতে আছে বাঙালির রেনেসাঁস বা বৌদ্ধিক জাগরণ। গণজাগরণ ও গণ-আন্দোলনের ধারায় যে রাজনৈতিক নেতারা আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, তাঁরাও ছিলেন অসাধারণ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপিনচন্দ্র পাল, চিত্তরঞ্জন দাশ, সুভাষচন্দ্র বসু, শেরেবাংলা ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তাজউদ্দীন আহমদ প্রমুখ। তা ছাড়া ছিলেন বিপ্লববাদী ও মার্ক্সবাদী নেতারা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে আমাদের রাজনীতির সেই গৌরবজনক অধ্যায় বজায় রইল না।
এখন সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে পুনর্বহাল করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে মন্ত্রিপরিষদ ও জাতীয় সংসদ যে প্রবল প্রতিপক্ষের অবস্থান নিয়েছে, তা আমাদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের জন্য খুব বড় বিপদের সংকেত। সামনে আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচন।
স্বাধীন বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত একের পর এক সরকার ও রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদের নির্বাচন করার সামর্থ্যেরও পরিচয় দেয়নি। আসন্ন নির্বাচন কেমন হবে? রাজনৈতিক দলগুলোর নৈতিক মান কি উন্নত হয়েছে? আশির দশক থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর ওপর ও অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোর স্থানীয় দূতাবাসগুলোর ও যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দিষ্ট ডেস্কের ওপর নির্ভরশীল হয়ে চলছে। এর মধ্যে ভারতও বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তৎপর। মন্ত্রিপরিষদ, জাতীয় সংসদ, প্রশাসনব্যবস্থার উচ্চপর্যায়, বিচারব্যবস্থার উচ্চপর্যায় ইত্যাদিতে যাঁরা আছেন, তাঁদের অধিকাংশই তাঁদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক করে ফেলেছেন। জন্মগতভাবে তাঁরা বাঙালি কিংবা বাংলাদেশি, কিন্তু পছন্দগতভাবে তাঁরা ওই রাষ্ট্রগুলোর নাগরিক। যাঁরা বিদেশে নাগরিকত্ব নিয়েছেন, বাংলাদেশের শাসন-কর্তৃত্বের প্রতি তাঁদের আগ্রহ সীমাহীন। বাংলাদেশে নানাভাবে তাঁরা তাঁদের কর্তৃত্ব রক্ষা করে চলেছেন। এ রকম নেতৃত্ব নিয়ে বাংলাদেশ কি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে?
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৮) সময় থেকেই পশ্চিমা সভ্যতা সংকটে পড়েছে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ও উৎপাদন ও সম্পদ বৃদ্ধি সত্ত্বেও সভ্যতা দুর্গতির মধ্যেই আছে। এর মধ্যে মার্ক্সবাদ দেখা দিয়েছিল সংকট-মুক্তির ও মানব জাতির জন্য উন্নত ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলোপের (১৯৯১) পর সে সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে এবং সভ্যতার সংকট গভীরতর রূপ নিয়ে সামনে এসেছে। এ অবস্থায়ও এশিয়া-আফ্রিকার প্রায় সব রাষ্ট্র অন্ধভাবে পশ্চিমা সভ্যতাকে অনুসরণ করে চলেছে। চীন ও ইরানে ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়াও ব্যতিক্রম। তবে তার ভূমিকা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। পশ্চিমা সভ্যতার অবক্ষয় ও সংকটকে বুঝে, তার অন্ধ অনুসরণ-অনুকরণ ত্যাগ করে নতুন সভ্যতা সৃষ্টির চিন্তা ও কর্মধারা দরকার। এশিয়া থেকেই তার সূচনা হতে পারে। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গাঁটছড়ায় বাঁধা পড়ে আছে কেন?
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ই ইউরোপ-আমেরিকার দার্শনিক-বৈজ্ঞানিকরা তাঁদের সভ্যতার নিদারুণ অবক্ষয় ও সংকট উপলব্ধি করেছিলেন। তাঁরা সংকট কাটিয়ে সভ্যতাকে রক্ষা করার কিংবা নতুন সভ্যতা সৃষ্টির উপায় সন্ধান করেছিলেন। অসওয়ার্ল্ড, স্পেংলার, আলবার্ট সুইজার, ক্লাইভ বেল, বার্ট্রান্ড রাসেল, এরিখ ফ্রোম ও আরো অনেক মনীষী সভ্যতার সংকট ও মুক্তির উপায় সন্ধান করে সারা জীবন ধরে লিখেছেন। ইতালির সিনকুয়েমেন্টু, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের রেনেসাঁস, ফ্রান্সের এনলাইটেনমেন্ট ও জার্মানির রিফর্মেশনের মধ্য দিয়ে অভিব্যক্ত মহান স্পিরিট সাধারণভাবে অভিহিত হয় ইউরোপের রেনেসাঁস বলে। দুই বিশ্বযুদ্ধ ও আনুষঙ্গিক ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে ঘটে গেছে ইউরোপের রেনেসাঁসের অবসান। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব দখল করেছে অপশক্তি। তার ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও ক্রমাগত চলছে যুদ্ধের পর যুদ্ধ। ফলে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির উন্নতি নিয়েও সভ্যতা বলতে যা বোঝায়, তা অস্তিমান হয়ে উঠছে না। সভ্যতার জন্য দরকার হয় প্রগতিশীল নৈতিক চেতনা। ইউরোপে রেনেসাঁসের অবসানের পর থেকেই নতুন কালের নতুন রেনেসাঁস সৃষ্টির প্রয়োজন ব্যাখ্যা করেছেন কোনো কোনো দার্শনিক-বৈজ্ঞানিক। এশিয়া-আফ্রিকার দার্শনিক-বৈজ্ঞানিকরা নতুন রেনেসাঁস সৃষ্টির কথা, নতুন সভ্যতা সৃষ্টির কথা ভাবছেন না কেন? রবীন্দ্রনাথ মৃত্যুর ঠিক আগে ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধে দ্বিধাহীনচিত্তে বলেছিলেন যে ‘নতুন সভ্যতার উদ্ভব ঘটবে পশ্চিম থেকে নয়, পূর্ব থেকে। ’ আমাদেরও ধারণা চীন, রাশিয়া, ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্র থেকে দেখা দেবে নতুন রেনেসাঁস, নতুন সভ্যতা, নতুন গণজাগরণ। এশিয়ার অপেক্ষাকৃত দুর্বল জাতিগুলোর ভেতর থেকেও দেখা দিতে পারে নবচেতনা। বাংলাদেশ নিজেকে সম্ভাবনাহীন মনে করে কেন? বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে জাতীয় হীনতাবোধ বিরাজ করছে কেন? বাংলা ভাষার রয়েছে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। নবসৃষ্টি দ্বারা সেই ঐতিহ্যকে সে সমৃদ্ধ করতে পারে। চিন্তার ক্ষেত্রে যে হয়ে উঠতে পারে অগ্রযাত্রী। সভ্যতা শুধু জ্ঞান-বিজ্ঞান ও অর্থ-সম্পদ দিয়ে হয় না, তার জন্য উন্নত চরিত্রবলও দরকার হয়। এই চরিত্রবলেরই অভাব আজ পাশ্চাত্য জাতিগুলোর মধ্যে। বাংলাদেশে চরিত্রবল কি দেখা দিতে পারে না? বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তো চরিত্রবলেরই পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর চারিত্র্যকে সমর্থন দেওয়া শুভবুদ্ধির উত্থানকামী সবার কর্তব্য।
পোস্ট-মডার্ন বা উত্তর-আধুনিক চিন্তাধারার প্রাধান্য চলছে আজ পৃথিবীতে। উত্তর-আধুনিকতাবাদীরা তো নিহিলিস্ট বা শূন্যবাদী। তাঁরা নেগেটিভিস্ট বা না-বাদী। তাঁরা পেসিমিন্ট বা নৈরাশ্যবাদী। মানব জাতিকে তো তাঁরা চিন্তার দিক দিয়ে শূন্যতায় নিয়ে যান। তাঁদের প্রদর্শিত পথ পথ নয়, বিপথ। পথের সন্ধান করতে গেলে রেনেসাঁস থেকেই প্রেরণা নিয়ে এগোতে হবে। সিনকুয়েমেন্টু, রেনেসাঁস, রিফর্মেশন, এনলাইটেনমেন্ট যে পথ প্রদর্শন করেছিল, ব্রিটিশ শাসিত বাংলার বাঙালি মনীষীরা যে পথ প্রদর্শন করেছিলেন, সেই পথ ও সেই অভিজ্ঞতা থেকে প্রেরণা নিয়ে এগোতে হবে। নতুন রেনেসাঁস, নতুন গণজাগরণ, নতুন সভ্যতা ও প্রগতির পথ ধরে সামনে চলতে হবে। হতাশা কাটিয়ে উঠতে হবে। শূন্যবাদ পরিত্যাগ করতে হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আত্মসমালোচনা দরকার, আত্মোৎকর্ষ দরকার—এ কথাটিই একটি বিচারের রায় দিতে গিয়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কেন? জাতীয় সংসদ নয় কেন?—এই প্রশ্ন এই বিচার প্রসঙ্গে খুবই প্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক এই প্রশ্নটিরই জবাব দেওয়া হয়েছে বিচারের রায় দিতে গিয়ে। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের আওতায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চেয়েছেন, দেশে আইনের শাসন চেয়েছেন। এ নিয়ে যে ভুল-বোঝাবুঝি দেখা দিয়েছে, যে প্রেস্টিজ ইস্যু দেখা দিয়েছে, তা থেকে জাতিকে মুক্ত হতে হবে। শুধু বিচারকদের ও আইনজীবীদের দিয়ে হবে না, কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা পালন করতে হবে।
ইতিহাস বিকৃতির প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ইতিহাস বিকৃত করা হলে জাতির আত্মাই বিকৃত হয়ে যায়। জাতির আত্মাকে বিকৃতির গ্রাস থেকে মুক্ত করার জন্য শুধু তত্ত্বজ্ঞান ও দলীয় বুদ্ধি দিয়ে হবে না, কাণ্ডজ্ঞান ও শুভবুদ্ধি লাগবে।
প্রচারমাধ্যমকে শুধু তথ্যনিষ্ঠ হলে হবে না, সত্যনিষ্ঠ ও ন্যায়নিষ্ঠও হতে হবে। প্রচারমাধ্যমের সহায়তা ছাড়া শুভবুদ্ধির উত্থান ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
সুপ্রিম কোর্টের এই রায় যদি জাতির নব-উত্থানের সূচনা নির্দেশ করে, তা হলে তা বাংলাদেশের বাঙালি জাতির জন্য ও গোটা মানব জাতির জন্য মঙ্গলকর হবে।
সুরেন্দ্র কুমার সিনহা একজন মণিপুরি, সেই সঙ্গে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তিনি একজন বাঙালি জাতীয়তাবাদীও। তিনি কথা বলেন, মতপ্রকাশ করেন কোনো উপজাতীয় মানসিকতা নিয়ে নয়, জাতীয়তাবাদী মানসিকতা নিয়ে। এতেও শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে। Intellectual Character বা বৌদ্ধিক চরিত্র বলে যে কথাটি আছে, স্বাধীন বাংলাদেশে তা দুর্লভ। নানা স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেকে প্রতিবাদ করেছেন এবং স্বার্থ হাসিল করে নিয়েছেন। সেগুলোতে বৌদ্ধিক চরিত্রের পরিচয় নেই। ক্ষমতা হাতে পেলেই যে কেউ যে বৌদ্ধিক চরিত্র বজায় রেখে কাজ করেন, তা নয়। সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ও সুপ্রিম কোর্টে তাঁর সহকর্মীরা সেই বৌদ্ধিক চরিত্রেরও পরিচয় দিয়েছেন। তাঁরা জাতির সম্মান ও শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য। এর দ্বারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে যদি আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়া সূচিত হয়, তাহলে তা হবে সবার জন্য পরম কল্যাণকর।
আজ অবস্থা এমন যে গণতন্ত্রে গণতন্ত্র নেই, সমাজতন্ত্রে সমাজতন্ত্র নেই, জাতীয়তাবাদে জাতীয়তাবাদ নেই, আন্তর্জাতিকতাবাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে বিশ্বায়নকে, যা সাম্রাজ্যবাদের নামান্তর। রাজনীতি বিরাজনৈতিকীকৃত। এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য যে সূচনা দরকার, এখন তা করা যেতে পারে। চিন্তা ও কাঙ্ক্ষিত স্বার্থ সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে হবে। সাধারণ মানুষকে ঘুম ত্যাগ করে জাগতে হবে।
বাংলাদেশের প্রচারমাধ্যম এখন সম্পূর্ণ মগ্ন হয়ে আছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে। গণতান্ত্রিক ধারায় নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য বাংলাদেশের সরকার ও সব দল ও বৃহৎ বিদেশি সব শক্তি আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে চলেছে। এই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে শুভবুদ্ধি সংযুক্ত হলে অবশ্যই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আর শুভবুদ্ধির ঘাটতি থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। গত ৪৬ বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি ঐতিহ্য তো বাংলাদেশের আছে। শুভবুদ্ধি আর অশুভবুদ্ধির অবস্থান লক্ষ করতে হবে। কোনো প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে এবারের নির্বাচন অন্য রকম হয়ে যাবে, তা আশা করা ঠিক নয়। এমন আশা অবশ্য প্রতিবার সিএসও মহল থেকে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে, ভারত থেকে, জাতিসংঘ থেকে ব্যক্ত করা হয়। গতানুগতিক ধারায় তারা এর জন্য তৎপরতাও প্রদর্শন করে। কিন্তু সুফল হয় না।
সুফল দেখা দেবে যদি রাজনৈতিক দলগুলো তাদের রাজনৈতিক চরিত্র উন্নত করে। জনগণ হুজুগে মত্ত হয়ে ভাঁওতা-প্রতারণার শিকার হয়ে চললে তা হবে না।
লেখক : চিন্তাবিদ
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























