ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উগ্রবাদ ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে: সিটিটিসি আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল : অর্থমন্ত্রী কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করতে হবে: ববি হাজ্জাজ এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয় দেখানোর অভিযোগ, পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান

প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি। এখন তার মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) রাখা হয়েছে।

তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। বিকেল পৌনে ৪টায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, কবি হেলাল হাফিজ আর নেই। জাতীয় প্রেস ক্লাব সদস্য হেলাল হাফিজ কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন।

‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-র মতো অসংখ্য অমর পঙক্তির রচয়িতা কবি হেলাল হাফিজ গত ৭ অক্টোবর ৭৭ বছরে পদার্পণ করেছিলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অনেকটা শয্যাশায়ী ছিলেন কবি।

বেশ কয়েক বছর ধরে শাহবাগে ‘সুপার হোস্টেল’ নামের একটি হোটেলে বসবাস করেছেন তিনি। জন্মদিনের সময় নিজের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে কবি বলেছিলেন, ‘শেষ সময়ে আছি, লাস্ট-স্টেজ বলা যায়। দম নিতে কষ্ট হচ্ছে। শরীর অনেক নাজুক হয়ে গেছে আমার। একেবারে শয্যাশায়ী। আমি একদম ভালো নেই। দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় আক্রান্ত। পাশাপাশি কিডনি, ডায়াবেটিস ও স্নায়ু জটিলতার মতো নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছি।’

১৯৮১ সালে প্রকাশিত কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ দিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন হেলাল হাফিজ। সে বইয়ের কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’তে কবি লিখেছিলেন, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। কবির এই পঙক্তি জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উগ্রবাদ ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে: সিটিটিসি

প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই

আপডেট সময় ০৪:০৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি। এখন তার মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) রাখা হয়েছে।

তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। বিকেল পৌনে ৪টায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, কবি হেলাল হাফিজ আর নেই। জাতীয় প্রেস ক্লাব সদস্য হেলাল হাফিজ কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন।

‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-র মতো অসংখ্য অমর পঙক্তির রচয়িতা কবি হেলাল হাফিজ গত ৭ অক্টোবর ৭৭ বছরে পদার্পণ করেছিলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অনেকটা শয্যাশায়ী ছিলেন কবি।

বেশ কয়েক বছর ধরে শাহবাগে ‘সুপার হোস্টেল’ নামের একটি হোটেলে বসবাস করেছেন তিনি। জন্মদিনের সময় নিজের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে কবি বলেছিলেন, ‘শেষ সময়ে আছি, লাস্ট-স্টেজ বলা যায়। দম নিতে কষ্ট হচ্ছে। শরীর অনেক নাজুক হয়ে গেছে আমার। একেবারে শয্যাশায়ী। আমি একদম ভালো নেই। দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় আক্রান্ত। পাশাপাশি কিডনি, ডায়াবেটিস ও স্নায়ু জটিলতার মতো নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছি।’

১৯৮১ সালে প্রকাশিত কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ দিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন হেলাল হাফিজ। সে বইয়ের কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’তে কবি লিখেছিলেন, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। কবির এই পঙক্তি জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।