ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

আপডেট সময় ১০:০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”