ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, তামিলনাড়ুতে অবশেষে কপার কারখানা বন্ধ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দূষণের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের পর অবশেষে ভারতের তামিলনাড়ুর বন্দরনগরী তুতিকোরিনে কপার গলানোর কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যসরকার।

ভয়াবহ মাত্রায় পরিবেশ দূষণ ছড়ানোর অভিযোগে গত তিন মাস ধরেই তুতিকোরিনের হাজার হাজার মানুষ ‘স্টারলাইট কপার স্মেল্টিং প্ল্যান্ট’ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। গত সপ্তাহে সেই বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে ১৩ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, মানুষের আবেগ-অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে আমরা ওই প্ল্যান্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ এ বিষয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, প্ল্যান্টটি থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরের গ্রাম সিলভারপুরাম। সেখানে প্রতিটি ঘরে একাধিক ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষ রয়েছেন।

১৯৯৬ সালে কারখানাটির যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকেই সেটির পরিবেশ দূষণ নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়। কারখানাটি বন্ধের দাবিতে মামলা হয় এবং ২০১০ সালে মাদ্রাজ হাইকোর্ট সেটি বন্ধের আদেশ দেন।

কিন্তু তিন বছর পর সুপ্রিমকোর্ট ওই রায় স্থগিত করেন। সেই সঙ্গে কোম্পানিকে ১০০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, তামিলনাড়ুতে অবশেষে কপার কারখানা বন্ধ

আপডেট সময় ১২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দূষণের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের পর অবশেষে ভারতের তামিলনাড়ুর বন্দরনগরী তুতিকোরিনে কপার গলানোর কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যসরকার।

ভয়াবহ মাত্রায় পরিবেশ দূষণ ছড়ানোর অভিযোগে গত তিন মাস ধরেই তুতিকোরিনের হাজার হাজার মানুষ ‘স্টারলাইট কপার স্মেল্টিং প্ল্যান্ট’ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। গত সপ্তাহে সেই বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে ১৩ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, মানুষের আবেগ-অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে আমরা ওই প্ল্যান্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ এ বিষয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, প্ল্যান্টটি থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরের গ্রাম সিলভারপুরাম। সেখানে প্রতিটি ঘরে একাধিক ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষ রয়েছেন।

১৯৯৬ সালে কারখানাটির যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকেই সেটির পরিবেশ দূষণ নিয়ে উদ্বেগ শুরু হয়। কারখানাটি বন্ধের দাবিতে মামলা হয় এবং ২০১০ সালে মাদ্রাজ হাইকোর্ট সেটি বন্ধের আদেশ দেন।

কিন্তু তিন বছর পর সুপ্রিমকোর্ট ওই রায় স্থগিত করেন। সেই সঙ্গে কোম্পানিকে ১০০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন।