অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রাশিয়ার অংশ ঘোষণার পর প্রথমবারের মত সরাসরি যোগাযোগের জন্য সেতুটি উদ্বোধন করল রাশিয়া। প্রযুক্তিগত ও ভূতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এ সেতু নির্মাণ ও উদ্বোধন করা হয়। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ২.৭ বিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড। নির্দিষ্ট সময়ের কয়েক মাস আগেই দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়, যেটি গত বুধবার উদ্বোধন করা হয়।
মঙ্গলবার বিশাল একটি বহর নিয়ে এ সেতু দিয়ে ক্রিমিয়া যান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে তার ক্রিমিয়া পৌঁছতে সময় লাগে সতের মিনিট। এরপর বুধবার সেতুটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
রাশিয়ার পতাকা টাঙানো বিশাল লরির বহর নিয়ে সেতু উদ্বোধনে যান পুতিন। ব্রিজের ওপর দিয়ে তাকে হাঁটতে দেখা যায়। এরপর পুতিন নিজেই একটি লরি চালিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে যান।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা বলেন, ‘এ সেতু দিয়ে ভ্রমণ করতে চাওয়া মানুষের সংখ্যা অনেক। এর মাধ্যমে তরুণ ও বয়স্ক সব মানুষই রাশিয়া এবং ক্রিমিয়ার মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।’
১২ মাইল লম্বা ক্রিমিয়ান সেতুটি বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে বড় সেতু। দ্বিতীয় নিকোলাসের সময়ে এ সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর নাজিসরা আবার উদ্যোগ নিলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।
এ সেতুর মাধ্যমে রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে ক্রিমিয়ার প্রকৃত মালিক দাবি করা ইউক্রেন।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাভলো ক্লিমকিন এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন, এ সেতুর উদ্বোধনের কারণে মানুষ ভীত এবং হতাশ হয়ে পড়েছে।
এছাড়া ক্রিমিয়ার সঙ্গে সেতু উদ্বোধনের নিন্দা জানিয়েছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র দপ্তর। তারা এটিকে ‘ক্রিমিয়ার সার্বভৌম ক্ষমতার জন্য হুমকি’ এবং রাশিয়ার আরেকটি ‘অদ্ভুত আচরণ’ বলে উল্লেখ করেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















