ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভালুকায় নির্জন বাড়িতে রাজমিস্ত্রির পোড়া লাশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার একটি নির্জন বাড়ি থেকে উজ্জ্বল (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ী এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এনামুল নামে একজনকে আটক করেছে। পুলিশের ধারণা, উজ্জ্বলকে প্রথমে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে পরে গায়ে কেরোসিন অথবা পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

নিহত উজ্জ্বল মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাউনা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের সাত্তার মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত প্রায় তিন মাস আগে পাশের শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এনামুল হকের সঙ্গে উজ্জ্বলের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের ঝগড়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে এনামুল ২০ পিস ইয়াবা দিয়ে জাহাঙ্গীরকে শ্রীপুর থানার পুলিশ দিয়ে আটক করা হয়।

মাদক মামলায় জাহাঙ্গীর দুই মাস হাজত খাটে। জেল থেকে বের হয়ে জাহাঙ্গীর ও তার বড় ভাই উজ্জ্বল মিলে এনামুলকে মারধর করে। ওই ঘটনার পর থেকে এনামুল জাহাঙ্গীরদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার বকেয়া বেতন আনার জন্য ঠিকাদার রেজাউলের কাছে যায় উজ্জ্বল। রাত ৮টার পর থেকে সে নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার দুপুরে হবিরবাড়ির শাহজাদার নির্জন ভিটার মাঝে পোড়া লাশ দেখে আশপাশের লোকজন এসে উজ্জ্বলের লাশ শনাক্ত করে।

এ ঘটনায় পুলিশ শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এনামুল হককে (৩০) ভালুকা মডেল থানার পুলিশ আটক করেছে।

জাহাঙ্গীর দাবি করেন, ইয়াবাসহ পুলিশ দিয়ে তাকে গ্রেফতারের পর থেকে এনামুল তাদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। সে হুমকির প্রেক্ষিতে তার ভাইকে এনামুলের নেতৃত্বে হত্যা করে আগুনে পুড়িয়ে লাশ নিশ্চিহ্ন‎ করতে চেয়েছিল।

ভালুকা থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, ৩-৪ জনে মিলে উজ্জ্বলকে প্রথমে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। পরে নিহতের গায়ে কেরোসিন অথবা পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

ভালুকায় নির্জন বাড়িতে রাজমিস্ত্রির পোড়া লাশ

আপডেট সময় ১০:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার একটি নির্জন বাড়ি থেকে উজ্জ্বল (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ী এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এনামুল নামে একজনকে আটক করেছে। পুলিশের ধারণা, উজ্জ্বলকে প্রথমে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে পরে গায়ে কেরোসিন অথবা পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

নিহত উজ্জ্বল মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাউনা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের সাত্তার মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত প্রায় তিন মাস আগে পাশের শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এনামুল হকের সঙ্গে উজ্জ্বলের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের ঝগড়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে এনামুল ২০ পিস ইয়াবা দিয়ে জাহাঙ্গীরকে শ্রীপুর থানার পুলিশ দিয়ে আটক করা হয়।

মাদক মামলায় জাহাঙ্গীর দুই মাস হাজত খাটে। জেল থেকে বের হয়ে জাহাঙ্গীর ও তার বড় ভাই উজ্জ্বল মিলে এনামুলকে মারধর করে। ওই ঘটনার পর থেকে এনামুল জাহাঙ্গীরদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার বকেয়া বেতন আনার জন্য ঠিকাদার রেজাউলের কাছে যায় উজ্জ্বল। রাত ৮টার পর থেকে সে নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার দুপুরে হবিরবাড়ির শাহজাদার নির্জন ভিটার মাঝে পোড়া লাশ দেখে আশপাশের লোকজন এসে উজ্জ্বলের লাশ শনাক্ত করে।

এ ঘটনায় পুলিশ শ্রীপুর উপজেলার আবদার গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এনামুল হককে (৩০) ভালুকা মডেল থানার পুলিশ আটক করেছে।

জাহাঙ্গীর দাবি করেন, ইয়াবাসহ পুলিশ দিয়ে তাকে গ্রেফতারের পর থেকে এনামুল তাদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। সে হুমকির প্রেক্ষিতে তার ভাইকে এনামুলের নেতৃত্বে হত্যা করে আগুনে পুড়িয়ে লাশ নিশ্চিহ্ন‎ করতে চেয়েছিল।

ভালুকা থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, ৩-৪ জনে মিলে উজ্জ্বলকে প্রথমে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। পরে নিহতের গায়ে কেরোসিন অথবা পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।