ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

জাপা সাংসদ মাঈদুলের ইন্তেকাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কু‌ড়িগ্রাম-৩ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও সা‌বেক মন্ত্রী এ‌ কে এম মাঈদুল ইসলাম ইন্তেকাল ক‌রে‌ছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মি‌নি‌টে রাজধানীর ইউনাই‌টেড হাসপাতা‌লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আগেই মারা গেছেন।

প্রবীণ এই সাংসদের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। তার মৃত্যুর খবরে নির্বাচনী এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মাঈদুল ইসলাম ১৯৪০ সালের ২৯ মে আসামের কোকড়াডাঙ্গার সুখেরচরে তার নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আবুল কাসেম ছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনের সক্রিয় নেতা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত সদস্য এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার।

মাঈদুল ইসলাম ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি কাসেম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।

মাঈদুল ইসলাম ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের খুব আস্থাভাজন ছিলেন। তাই জিয়াউর রহমান তাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেন। যদিও মাঈদুল ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সবার চেয়ে বয়সে ছোট।

জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায়ও মন্ত্রী হিসেবে তাকে নিযুক্ত করা হয়। এ মন্ত্রিসভায় ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ছাড়াও নব-গঠিত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার ওপর অর্পিত হয়। পরে তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভায়ও যোগ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

জাপা সাংসদ মাঈদুলের ইন্তেকাল

আপডেট সময় ১১:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কু‌ড়িগ্রাম-৩ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও সা‌বেক মন্ত্রী এ‌ কে এম মাঈদুল ইসলাম ইন্তেকাল ক‌রে‌ছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মি‌নি‌টে রাজধানীর ইউনাই‌টেড হাসপাতা‌লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আগেই মারা গেছেন।

প্রবীণ এই সাংসদের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। তার মৃত্যুর খবরে নির্বাচনী এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মাঈদুল ইসলাম ১৯৪০ সালের ২৯ মে আসামের কোকড়াডাঙ্গার সুখেরচরে তার নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আবুল কাসেম ছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনের সক্রিয় নেতা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত সদস্য এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার।

মাঈদুল ইসলাম ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি কাসেম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।

মাঈদুল ইসলাম ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের খুব আস্থাভাজন ছিলেন। তাই জিয়াউর রহমান তাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেন। যদিও মাঈদুল ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সবার চেয়ে বয়সে ছোট।

জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায়ও মন্ত্রী হিসেবে তাকে নিযুক্ত করা হয়। এ মন্ত্রিসভায় ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ছাড়াও নব-গঠিত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার ওপর অর্পিত হয়। পরে তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভায়ও যোগ দেন।