অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) প্রধান সহকারী আবদুল কুদ্দুসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আরএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান বৃহস্পতিবার এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। প্রায় এক যুগ ধরে আরএমপি সদর দপ্তরে থাকা আবদুল কুদ্দুস নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি দরপত্রে অনিয়মের ব্যাপারে সম্প্রতি আবদুল কুদ্দুসের ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তদন্ত শুরু হয়। এ নিয়ে গত এপ্রিলে পুলিশ কমিশনার তাকে শোকজ করেন। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগের তদন্তও করেন। তদন্ত শেষে আরএমপি কমিশনার অভিযুক্ত প্রধান সহকারীকে দিয়েই পুলিশ সদর দপ্তরে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলেন।
সেই প্রতিবেদনের চিঠির খাম হাতে পেয়ে আবদুল কুদ্দুস তা খুলে দেখেন। এ সময় নিজের অপকর্মের নানা ফিরিস্তি লিপিবদ্ধ দেখে তিনি ওই প্রতিবেদন বদলে দেন। আরএমপি কমিশনারের স্বাক্ষর জাল করে তিনি নিজের মতো করে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এতে তিনি নিজেকে নির্দোষসহ পদ্দোন্নতিরও সুপারিশ করেন। এরপর তিনি সেটি পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দেন।
তবে প্রতিবেদনটি পুলিশ সদর দপ্তরেই সন্দেহজনক মনে হয়। তাই সেটি আবার আরএমপিতে ফেরত পাঠায়। এরপরই আবদুল কুদ্দুসের জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। তারপরেও বিষয়টি তদন্তে আরএমপি কমিশনার অতিরিক্ত কমিশনার শিরিন আক্তারকে দায়িত্ব দেন।
এরপর গত বৃহস্পতিবার তিনি প্রতিবেদন জমা দিলে ওই দিনই আবদুল কুদ্দুসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আরএমপির মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নিজের পদোন্নতির সুপারিশ, দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম ও দরপত্রের দুর্নীতির কারণে আবদুল কুদ্দুস সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। আরেকটি দরপত্রে অনিয়মের বিষয়েও তাকে শোকজ করা হয়েছে। সে অভিযোগেরও তদন্ত চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























