অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বিবাহিতকে অবিবাহিত দেখিয়ে সনদ দিয়ে প্রতারণা করা মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান রতন, স্থানীয় স্বাস্থ্য সহকারী পদে কর্মরত মো. আতিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীমোড়া গ্রামের মো. হারুন মাস্টার ও একই গ্রামের মন মিয়ার স্ত্রী আমেনা খাতুন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিমের আদালত গত ২৩ এপ্রিল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর আল-আমিনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জুমাইয়ার। এরপর আল-আমিন মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়। গত বছরের (২০১৭) ৪ এপ্রিল মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় মারা যান আল-আমিন। তিন দিন পর ৭ এপ্রিল মরদেহ দেশে এনে গ্রামের বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
এরপর অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রতনসহ অন্য তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে জুমাইয়ার স্বামী আল-আমিনকে অবিবাহিত মর্মে ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট একটি সনদপত্র দেন। ওই সনদপত্রে বাকি আসামিরা স্বাক্ষী হিসেবে দস্তখত ও টিপসই দেন। সনদপত্রে একমাত্র আমেনা খাতুনকেই প্রয়াত আল-আমিনের পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে চেয়ারম্যানের দেয়া সনদপত্র অনুসারে কুমিল্লার কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা একমাত্র ওয়ারিশ হিসেবে আমেনা খাতুনকে টাকা উত্তোলনের ক্ষমতাপত্র সনদ ইস্যু করেন।
রোববার মামলার বাদী জুমাইয়া বলেন, তার শাশুড়ি পরিকল্পিতভাবে স্বামীর ওয়ারিশ থেকে তাকে বাদ দিয়ে সনদপত্র বানিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালান। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি পুনরায় তদন্ত করেন তাহলে তিনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবি সারোয়ার-ই আলম বলেন, এই মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে বিজয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ পারভেজকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























