অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
যশোরের কেশবপুরে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া সেই গৃহবধূ মিতা বেগম (৩০) চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা গেছেন। কেশবপুর থানার পুলিশ ও মিতার পিতা আবদুল আওয়াল মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাতে তার লাশ শ্বশুরবাড়ি ভরতভায়না গ্রামে আনা হয়।
শনিবার রাত ১টার দিকে তাকে দাফন করা হয় বলে মিতার বাবা কেশবপুরের কর্ন্দপপুর গ্রামের আবদুল আওয়াল জানান। পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ওইদিন দুপুরে মিতা বেগম মারা যান।
এর আগে ২৪ এপ্রিল গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে রান্নাঘরে মিতার শরীরে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রেমে ব্যর্থ বাবুল গাজী। উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল উপজেলার কপালিয়া গ্রামের আবদুল খালেক গাজীর ছেলে বাবলু গাজী (৩০) কেশবপুর ভতরভায়না গ্রামে তহিদুল ইসলামের রান্নাঘরে ঢুকে তার স্ত্রী মিতা বেগমের শরীরে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বাবলু গাজী নিজের শরীরেও পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পূর্ব প্রেমের সূত্রধরে মিতা বেগমকে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়ে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন বলে জানান ভাসুর রফিকুল ইসলাম।
বর্তমানে অভিযুক্ত বাবুল গাজী পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শরীরের ৬৫ ভাগ পুড়ে গেছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীপক কুমার দত্ত জানান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























