ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার নয়: বিজিবি মহাপরিচালক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্তে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার নয়, আমরা উভয় দেশ আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। এর কারণে সীমান্ত হত্যা অনেকাংশে কমে এসেছে। সীমান্তে কোনো প্রকার প্রাণনাশ গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে বিএসএফ নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছে। তবে নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করায় বিএসএফ সদস্যরা অপরাধীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে পিলখানার বিজিবি সদর দফরে বিজিবি-বিএসএফ’র ডিজি পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরিত হয়।

সীমান্ত হত্যা বন্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করে নন-লেথাল উইপন ব্যবহারে সম্মত হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। যৌথ বৈঠক শেষে তারা সীমান্তে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন চান না বলে জানান।

বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) কেকে শর্মা বলেন, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। সাধারণত মধ্যরাতে সীমান্তে ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিজ হয়। আমরা এগুলো নজরে আনছি।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে সীমান্তের হত্যার ঘটনা ছিল ১৬টি। তবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। এ কৌশল (নন-লেথাল অস্ত্রের ব্যবহার) অবলম্বনের কারণে অপরাধীদের দ্বারা বিএসএফ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবুও আমরা নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছি। সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন হোক, এটা আমরা চাই না। নন-লেথেল অস্ত্র ব্যবহারেরও প্রয়োজন হতো না। আত্মরক্ষার্থেই শুধু বিএসএফ সদস্যরা এটা ব্যবহার করেন বলে দাবি করেন তিনি।

২৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন। ২৭ এপ্রিল পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা আইসিপিতে যৌথভাবে জয়েন্ট রিট্রিট সেরেমনি উদ্বোধন হবে এবং একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফিরবেন। সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি শ্রী কেকে শর্মার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল ও বিজিবি ডিজি সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালকরা, বিজিবি সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট স্টাফ অফিসাররা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, সার্ভে অব বাংলাদেশ এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি বলেন, উভয় পক্ষ সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে গবাদি পশু ও মাদক চোরাচালানপ্রবণ এলাকায় সমন্বিত যৌথ টহল পরিচালনা, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের মাঝে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বিধি-নিষেধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বন্ধে যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়েছি। দেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় ভারতের অংশে কিছু রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছিল এবং তাদের বিএসএফ বাংলাদেশে পুশব্যাক করে বলে শোনা গেছে।

এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিজিবি ডিজি বলেন, ‘বহিরাগত নাগরিকদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের কাজে লাগিয়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন কোনো কিছু করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি।’
নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র অনুপ্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবারের সম্মেলনে এটা আলোচ্য বিষয় ছিল না।

সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেনসিডিল প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএফ ডিজি কেকে শর্মা বলেন, ফেনসিডিল ভারতে নিষিদ্ধ, বৈধভাবে ফেনসিডিল উৎপাদন হয় না। এ বিষয়ে আমাদের নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত বছর প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ বিপুল পরিমাণ অন্যান্য মাদক আটক করা হয়েছে। বাংলাদেশে যে কোনো মাদক প্রবেশ ঠেকাতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।

ফেলানী হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবি ডিজি বলেন, বিষয়টি ভারতীয় আদালতে বিচারাধীন। এ বিষয়ে কোনো কথা না বলাই উত্তম।

এছাড়াও এবারের সম্মেলনের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি, হত্যা, আহত করা, বাংলাদেশি নাগরিকদের অপহরণ, আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার, সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে বাংলাদেশে ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা, হেরোইন এবং ইয়াবাসহ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের চোরাচালান বন্ধ, অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজ, আখাউড়া আইসিপির ভারতীয় অংশে ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপন, উভয় দেশের সীমান্তে নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে সহায়তা, চোরাচালানি ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য বিনিময় এবং উভয় বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উপায় আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

সম্মেলন শেষে যৌথ আলোচনার দলিল (জেআরডি-জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন) স্বাক্ষরিত হয়। আন্তঃসীমান্তে অপরাধ প্রবণ এলাকার ম্যাপিং বছরে দু’বার হালনাগাদ করা হবে বলেও জানানো হয়। উভয় বাহিনী সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌথভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

সীমান্তে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার নয়: বিজিবি মহাপরিচালক

আপডেট সময় ১১:৪২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্তে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার নয়, আমরা উভয় দেশ আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। এর কারণে সীমান্ত হত্যা অনেকাংশে কমে এসেছে। সীমান্তে কোনো প্রকার প্রাণনাশ গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে বিএসএফ নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছে। তবে নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করায় বিএসএফ সদস্যরা অপরাধীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে পিলখানার বিজিবি সদর দফরে বিজিবি-বিএসএফ’র ডিজি পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরিত হয়।

সীমান্ত হত্যা বন্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করে নন-লেথাল উইপন ব্যবহারে সম্মত হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। যৌথ বৈঠক শেষে তারা সীমান্তে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন চান না বলে জানান।

বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) কেকে শর্মা বলেন, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। সাধারণত মধ্যরাতে সীমান্তে ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিজ হয়। আমরা এগুলো নজরে আনছি।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে সীমান্তের হত্যার ঘটনা ছিল ১৬টি। তবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। এ কৌশল (নন-লেথাল অস্ত্রের ব্যবহার) অবলম্বনের কারণে অপরাধীদের দ্বারা বিএসএফ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবুও আমরা নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছি। সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন হোক, এটা আমরা চাই না। নন-লেথেল অস্ত্র ব্যবহারেরও প্রয়োজন হতো না। আত্মরক্ষার্থেই শুধু বিএসএফ সদস্যরা এটা ব্যবহার করেন বলে দাবি করেন তিনি।

২৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন। ২৭ এপ্রিল পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা আইসিপিতে যৌথভাবে জয়েন্ট রিট্রিট সেরেমনি উদ্বোধন হবে এবং একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফিরবেন। সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি শ্রী কেকে শর্মার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল ও বিজিবি ডিজি সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালকরা, বিজিবি সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট স্টাফ অফিসাররা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, সার্ভে অব বাংলাদেশ এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি বলেন, উভয় পক্ষ সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে গবাদি পশু ও মাদক চোরাচালানপ্রবণ এলাকায় সমন্বিত যৌথ টহল পরিচালনা, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের মাঝে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বিধি-নিষেধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বন্ধে যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়েছি। দেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় ভারতের অংশে কিছু রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছিল এবং তাদের বিএসএফ বাংলাদেশে পুশব্যাক করে বলে শোনা গেছে।

এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিজিবি ডিজি বলেন, ‘বহিরাগত নাগরিকদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের কাজে লাগিয়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন কোনো কিছু করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি।’
নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র অনুপ্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবারের সম্মেলনে এটা আলোচ্য বিষয় ছিল না।

সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেনসিডিল প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএফ ডিজি কেকে শর্মা বলেন, ফেনসিডিল ভারতে নিষিদ্ধ, বৈধভাবে ফেনসিডিল উৎপাদন হয় না। এ বিষয়ে আমাদের নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত বছর প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ বিপুল পরিমাণ অন্যান্য মাদক আটক করা হয়েছে। বাংলাদেশে যে কোনো মাদক প্রবেশ ঠেকাতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।

ফেলানী হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবি ডিজি বলেন, বিষয়টি ভারতীয় আদালতে বিচারাধীন। এ বিষয়ে কোনো কথা না বলাই উত্তম।

এছাড়াও এবারের সম্মেলনের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি, হত্যা, আহত করা, বাংলাদেশি নাগরিকদের অপহরণ, আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার, সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে বাংলাদেশে ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা, হেরোইন এবং ইয়াবাসহ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের চোরাচালান বন্ধ, অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজ, আখাউড়া আইসিপির ভারতীয় অংশে ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপন, উভয় দেশের সীমান্তে নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে সহায়তা, চোরাচালানি ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য বিনিময় এবং উভয় বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উপায় আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

সম্মেলন শেষে যৌথ আলোচনার দলিল (জেআরডি-জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন) স্বাক্ষরিত হয়। আন্তঃসীমান্তে অপরাধ প্রবণ এলাকার ম্যাপিং বছরে দু’বার হালনাগাদ করা হবে বলেও জানানো হয়। উভয় বাহিনী সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌথভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।