ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী সীমান্তে বিজিবি এখন সাহস ফিরে পেয়েছে: রাশেদ খান জনবান্ধব নয় গরিবের ওপর চাপানো বাজেট:সংসদে রফিকুল ইসলাম খান বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ আটক যেপথে গেছেন শেখ হাসিনা, সেপথে যাবেন তারেক রহমান: মামুনুল হক চাঁদাবাজির সাজা এখন মুচলেকা: সংসদে জামায়াতের টিপ্পনি কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে ফেলে যাওয়া শিশু ফিরে পেল পাকিস্তানি পরিবার ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় বদির অনুপস্থিতিতে মাদকের ‘দায়িত্বে’ কে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন গয়েশ্বর

১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী, টাইম সাময়িকীর বক্তব্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় টাইম সাময়িকীর ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

১০০ জনকে নিয়ে লিখেছেন আরো ১০০ ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখেছেন নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী। তাঁর লেখাটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো :

‘১৯৯০-এর দশকে প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, সে সময় তিনি বাংলাদেশ সামরিক শাসনের অবসানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। আমাদের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৮ সালে, যখন তিনি আরেক সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলেন। এর পরের বছর তিনি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করেন এবং প্রধানমন্ত্রী হন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাবার উত্তরসূরি হিসেবে হাসিনা কখনই লড়াইয়ের ভয়ে ভীত নন। সুতরাং গত আগস্টে মিয়ানমারের নির্যাতন থেকে বাঁচতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করলে তিনি এই তিনি মানবিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। অতীতে অনুন্নত বাংলাদেশ কখনই বিপুল শরণার্থীকে স্বাগত জানায়নি। কিন্তু তিনি জাতিগত নিধনের ভয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাননি।

এ কারণে প্রশংসা পেলেও হাসিনা মানবাধিকার নিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন। তাঁর সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুমের নেতৃত্ব দিয়েছে (বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে) এবং সমালোচনা বা ভিন্নমত বরদাশত করে না। ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে লড়াই করা শেখ হাসিনার এই কর্তৃত্বপরায়ণতার প্রবণতা সংযত করা দরকার এবং মিয়ানমার ও অন্যদের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করে বোঝানো উচিত যে গণতন্ত্রে দ্বিমত ও বৈচিত্র্য থাকে।’

টাইমের তালিকায় রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরোঁ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী

১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী, টাইম সাময়িকীর বক্তব্য

আপডেট সময় ১১:১৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় টাইম সাময়িকীর ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

১০০ জনকে নিয়ে লিখেছেন আরো ১০০ ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখেছেন নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী। তাঁর লেখাটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো :

‘১৯৯০-এর দশকে প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, সে সময় তিনি বাংলাদেশ সামরিক শাসনের অবসানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। আমাদের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৮ সালে, যখন তিনি আরেক সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলেন। এর পরের বছর তিনি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করেন এবং প্রধানমন্ত্রী হন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাবার উত্তরসূরি হিসেবে হাসিনা কখনই লড়াইয়ের ভয়ে ভীত নন। সুতরাং গত আগস্টে মিয়ানমারের নির্যাতন থেকে বাঁচতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করলে তিনি এই তিনি মানবিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। অতীতে অনুন্নত বাংলাদেশ কখনই বিপুল শরণার্থীকে স্বাগত জানায়নি। কিন্তু তিনি জাতিগত নিধনের ভয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাননি।

এ কারণে প্রশংসা পেলেও হাসিনা মানবাধিকার নিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন। তাঁর সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুমের নেতৃত্ব দিয়েছে (বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে) এবং সমালোচনা বা ভিন্নমত বরদাশত করে না। ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে লড়াই করা শেখ হাসিনার এই কর্তৃত্বপরায়ণতার প্রবণতা সংযত করা দরকার এবং মিয়ানমার ও অন্যদের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করে বোঝানো উচিত যে গণতন্ত্রে দ্বিমত ও বৈচিত্র্য থাকে।’

টাইমের তালিকায় রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরোঁ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।