অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সুবাদে পরিচয় ঘটে তরুণ-তরুণীর। কিছু দিনের প্রেমের পর দুই পরিবারের সম্মতিতে দুই মাস আগে বিয়ে হয় তাদের। পরে শুক্রবার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে ফেরেন নববধূ। ওই রাতেই প্রতিবেশী কয়েক যুবক বাড়িতে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে ব্রহ্মপুত্রের চরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের।
নির্যাতিতার স্বামী জানিয়েছেন, তার স্ত্রী শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে বাড়িতে ফেরে। রাত ১ টার দিকে হঠাৎ তাদের দরজায় কড়া নারে প্রতিবেশি কয়েকজন। এসময় তার স্ত্রী দরজা খুলতে না চাইলেও তিনিই বাধ্য হয়ে খুলে দেন। এসময় তিনজন তাকে ধরে বাড়ির কাছের একটি স্থানে নিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফলে। অন্যরা তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায়।
নির্যাতনের শিকার ওই নারী জানিয়েছেন, তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি বাঁধা দেন। ওই সময় চার ব্যক্তি তার মুখ বেঁধে বাড়ি থেকে পাশের ব্রহ্মপুত্র নদের বালুচরে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তাকে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে ছেড়ে দিলে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নববধূকে তুলে নিয়ে যায় এলাকার কয়েকজন যুবক। তারা সবাই বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। স্বামীকে বেঁধে রেখে নারীটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে তার কাছে রাতেই নারীটি আসলে বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান।
এদিকে নববধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ শনিবার সকালে অভিযান শুরু করে। উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয় নির্যাতনের শিকার নারীকে। আটক করা হয় আবুল বাশার ওরফে বাদশা মিয়া ও রতন মিয়া নামের দুই যুবককে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. গোলাম মাওলা বলেন, ধর্ষণের খবর পেয়ে নারীটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পর দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























