ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় ইসরাইলি হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত: এইচআরডব্লিউ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গাজা উপত্যকার পশ্চিম সীমান্তে বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ১৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও পরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, পাথর ছোড়া কিংবা অন্য কোনো সহিংসতা সেনাসদস্যের জীবন হুমকিতে ফেলেছে বলে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি ইসরাইলি সরকার।-খবর আলজাজিরার।

ইসরাইলের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের দিকে ইঙ্গিত করে সংস্থাটি বলেছে, বিক্ষোভের আগে কিংবা পরে তাজা গুলির ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ।

তারা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সহিংসতায় জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি না হলে সেনাসদস্যদের প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহারের অনুমোদন অবৈধ। এতে ব্যাপকসংখ্যক লোক নিহত ও আহত হবে বলে আগেই অনুমান করা যায়।

১৯৪৮ সালে ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবিতে শুক্রবারের বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

এতে প্রায় দেড় হাজার লোক আহত হয়েছেন। চিকিৎসার অভাব ও মারাত্মক জখমের কারণে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরাইলি বাহিনী স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথ অবরুদ্ধ করে রাখায় গাজা উপত্যকায় কোনো চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছাতে পারছে না।

বিক্ষোভের আগে ইসরাইল সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, তারা সরাসরি গুলি করার ক্ষমতা দিয়ে সীমান্তে একশ স্নাইপার মোতায়েন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরাইলি হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত: এইচআরডব্লিউ

আপডেট সময় ০২:৪০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গাজা উপত্যকার পশ্চিম সীমান্তে বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ১৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও পরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, পাথর ছোড়া কিংবা অন্য কোনো সহিংসতা সেনাসদস্যের জীবন হুমকিতে ফেলেছে বলে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি ইসরাইলি সরকার।-খবর আলজাজিরার।

ইসরাইলের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের দিকে ইঙ্গিত করে সংস্থাটি বলেছে, বিক্ষোভের আগে কিংবা পরে তাজা গুলির ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ।

তারা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সহিংসতায় জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি না হলে সেনাসদস্যদের প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহারের অনুমোদন অবৈধ। এতে ব্যাপকসংখ্যক লোক নিহত ও আহত হবে বলে আগেই অনুমান করা যায়।

১৯৪৮ সালে ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবিতে শুক্রবারের বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

এতে প্রায় দেড় হাজার লোক আহত হয়েছেন। চিকিৎসার অভাব ও মারাত্মক জখমের কারণে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরাইলি বাহিনী স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথ অবরুদ্ধ করে রাখায় গাজা উপত্যকায় কোনো চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছাতে পারছে না।

বিক্ষোভের আগে ইসরাইল সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, তারা সরাসরি গুলি করার ক্ষমতা দিয়ে সীমান্তে একশ স্নাইপার মোতায়েন করেছে।