ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাবাকে পুড়িয়ে মারল পাষান্ড ছেলে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় টাকা দিতে অস্বীকার করায় ৭০ বছর বয়সী বাবাকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারল পাষাণ্ড ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে রানাঘাট থানার রাবানবার গ্রামে। খবর প্রকাশ করেছে পিটিআই।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম বৈদ্যনাথ বিশ্বাস। তিনি তার কয়েকটি গাছ বিক্রি করে ৯০ হাজার রূপী পান। তার ছেলে অবোধ বিশ্বাস সেই টাকার কিছু অংশ চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।

ঘুমন্ত অবস্থায় অবোধ তার বাবার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার মা সরস্বতী বিশ্বাস স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে পুড়ে যান। মাকে বাঁচাতে গিয়ে অবোধও পুড়ে যায়। তাদের তিন জনকেই হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বৈদ্যনাথ বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বৈদ্যনাথের অপর ছেলে সুবোধ বিশ্বাস রানাঘাট থানায় অবোধের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

বাবাকে পুড়িয়ে মারল পাষান্ড ছেলে

আপডেট সময় ০৪:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় টাকা দিতে অস্বীকার করায় ৭০ বছর বয়সী বাবাকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারল পাষাণ্ড ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে রানাঘাট থানার রাবানবার গ্রামে। খবর প্রকাশ করেছে পিটিআই।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম বৈদ্যনাথ বিশ্বাস। তিনি তার কয়েকটি গাছ বিক্রি করে ৯০ হাজার রূপী পান। তার ছেলে অবোধ বিশ্বাস সেই টাকার কিছু অংশ চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।

ঘুমন্ত অবস্থায় অবোধ তার বাবার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার মা সরস্বতী বিশ্বাস স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে পুড়ে যান। মাকে বাঁচাতে গিয়ে অবোধও পুড়ে যায়। তাদের তিন জনকেই হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বৈদ্যনাথ বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বৈদ্যনাথের অপর ছেলে সুবোধ বিশ্বাস রানাঘাট থানায় অবোধের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।