ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজ বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মানুষের সঙ্গে মানুষের সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টির এক অনন্য দিন আজ। একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা, উপকারী মনোভাব, বন্ধুত্বের মাধ্যমে নিজের বিকাশ, আনন্দ, দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগী করে নেওয়ার একটি দিন। আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বজুড়ে বন্ধু দিবস পালন করা হয়। সেই হিসেবে আজ রবিবার বিশ্ব বন্ধু দিবস।

বিশ্ব বন্ধু দিবস একটি সাংস্কৃতিক কৃষ্টি ও আনন্দঘন দিবস হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্যাপিত হয়। কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশেও দিনটি ঘটা করে পালন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ১৯৩৫ সালের আগস্টের প্রথম রবিবারকে বন্ধু দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। ইউরোপ-আমেরিকায় বন্ধু দিবস পালনের রেওয়াজ বেশি হলেও প্রাচ্যেও এর দৃষ্টান্ত অনেক। তবে প্রাচ্যে বন্ধুত্বের ধরন একেবারেই আলাদা। এ যেন রক্তের চেয়েও শক্তিশালী কোনো বাঁধন। বাঙালি বন্ধুর হাত ধরে বড় হয়, একসঙ্গে ভালোবাসা শেখে, সংগ্রামের শপথ নেয়।

বন্ধুর টানে, কত শত ছেলে যে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে গেল, ইতিহাস তো সে খবর নিল না কোনো দিন! তাই ইতিহাসের পাতা ভুলে, আলাদা কোনো দিনপঞ্জি না মেনে আমরা সব সময় বন্ধুসঙ্গে বিশ্বাসী!

আধুনিক যুগে বন্ধুত্ব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দূর তেপান্তরে। গোটা বিশ্ব হাতের মুঠোয় চলে এসেছে প্রযুক্তির কল্যাণে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ যোগাযোগ রাখতে পারছে বন্ধুর সঙ্গে। ফলে বন্ধুত্বের পরিধি আজ বিশ্বময়। মুঠোফোন, ফেসবুক, টুইটারে নিজ নিজ ব্লগ থেকে মানুষ আজ একে অন্যকে শুভেচ্ছা জানাবে।

বন্ধুত্ব দিবস হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা “জয়েস হল” দ্বারা উন্নীত হয়েছিল ১৯১৯ সালে এবং আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত। কিন্তু, বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু। ১৯৩৫ সালে, মার্কিন কংগ্রেস ঘোষণা করেন যে আগস্ট মাসের প্রতি প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে প্রতিপালিত হবে। সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি। খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস এর রুপ লাভ করে।

বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রস্তাবিত হয়, যখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে “পুয়ের্তো Pinasco” তে (নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion, Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত) ডিনার করছিলেন। কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ বিশ্বময় বন্ধুত্বের আলাদা অবস্থানে নিজেদের নিয়ে যায় ৷ ২৭ এপ্রিল ২০১১ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷ তবে ভারত, বাংলাদেশ সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে ৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

আজ বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস

আপডেট সময় ০৩:১৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মানুষের সঙ্গে মানুষের সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টির এক অনন্য দিন আজ। একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা, উপকারী মনোভাব, বন্ধুত্বের মাধ্যমে নিজের বিকাশ, আনন্দ, দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগী করে নেওয়ার একটি দিন। আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বজুড়ে বন্ধু দিবস পালন করা হয়। সেই হিসেবে আজ রবিবার বিশ্ব বন্ধু দিবস।

বিশ্ব বন্ধু দিবস একটি সাংস্কৃতিক কৃষ্টি ও আনন্দঘন দিবস হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্যাপিত হয়। কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশেও দিনটি ঘটা করে পালন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ১৯৩৫ সালের আগস্টের প্রথম রবিবারকে বন্ধু দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। ইউরোপ-আমেরিকায় বন্ধু দিবস পালনের রেওয়াজ বেশি হলেও প্রাচ্যেও এর দৃষ্টান্ত অনেক। তবে প্রাচ্যে বন্ধুত্বের ধরন একেবারেই আলাদা। এ যেন রক্তের চেয়েও শক্তিশালী কোনো বাঁধন। বাঙালি বন্ধুর হাত ধরে বড় হয়, একসঙ্গে ভালোবাসা শেখে, সংগ্রামের শপথ নেয়।

বন্ধুর টানে, কত শত ছেলে যে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে গেল, ইতিহাস তো সে খবর নিল না কোনো দিন! তাই ইতিহাসের পাতা ভুলে, আলাদা কোনো দিনপঞ্জি না মেনে আমরা সব সময় বন্ধুসঙ্গে বিশ্বাসী!

আধুনিক যুগে বন্ধুত্ব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দূর তেপান্তরে। গোটা বিশ্ব হাতের মুঠোয় চলে এসেছে প্রযুক্তির কল্যাণে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ যোগাযোগ রাখতে পারছে বন্ধুর সঙ্গে। ফলে বন্ধুত্বের পরিধি আজ বিশ্বময়। মুঠোফোন, ফেসবুক, টুইটারে নিজ নিজ ব্লগ থেকে মানুষ আজ একে অন্যকে শুভেচ্ছা জানাবে।

বন্ধুত্ব দিবস হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা “জয়েস হল” দ্বারা উন্নীত হয়েছিল ১৯১৯ সালে এবং আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত। কিন্তু, বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু। ১৯৩৫ সালে, মার্কিন কংগ্রেস ঘোষণা করেন যে আগস্ট মাসের প্রতি প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে প্রতিপালিত হবে। সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি। খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস এর রুপ লাভ করে।

বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রস্তাবিত হয়, যখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে “পুয়ের্তো Pinasco” তে (নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion, Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত) ডিনার করছিলেন। কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ বিশ্বময় বন্ধুত্বের আলাদা অবস্থানে নিজেদের নিয়ে যায় ৷ ২৭ এপ্রিল ২০১১ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷ তবে ভারত, বাংলাদেশ সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে ৷